এলসি নম্বর হবে ১৬ ডিজিটের

এখন থেকে সব ব্যাংকের এলসি নম্বর হবে ১৬ ডিজিটের। আমদানিতে ফাঁকি ঠেকাতে অনলাইনে এলসি তথ্য সংগ্রহে এনবিআরের ‘অ্যাসাইকোডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেম’ সফটওয়্যারের রিপোর্ট সংগ্রহের সুবিধার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে ব্যাংকগুলোকে জানিয়ে দেবে বলে জানা গেছে। বর্তমানে ব্যাংকের এডি শাখাগুলো ১২ ডিজিট এবং অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট ১৬ ডিজিটের এলসি নম্বর দিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করে।
বর্তমান পদ্ধতিতে ব্যাংকগুলোকে অনলাইনে বিল অব এন্ট্রির ২৮ নম্বর ঘরে এলসি নম্বর বসিয়ে রিপোর্ট করতে হয়। গতকাল সোমবার থেকে সব ব্যাংককে ১৬ ডিজিটের এলসি রিপোর্ট করার জন্য এনবিআরের এক নির্দেশনায় বলা হয়েছে। তবে ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা ছাড়া এ ধরনের রিপোর্ট করতে পারে না। আবার আনুষ্ঠানিকভাবে এনবিআরের এ অনুরোধ কেন্দ্রীয় ব্যাংক না পাওয়ায় গতকাল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংক কোনো নির্দেশ দিতে পারেনি।
সংশ্লিষ্টরা জানান, পণ্য আমদানির জন্য ব্যাংকে এলসি ঋণপত্র খোলা হয়। আর পণ্য খালাসের জন্য কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করতে হয়। তবে শুল্ক ফাঁকি দিতে অনেক আমদানিকারক ভুয়া বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে পণ্য খালাস করে। রাজস্ব বোর্ডের কাছে প্রকৃত এলসির তথ্য না থাকায় দাখিল করা বিল অব এন্ট্রি আসল না ভুয়া, তা যাচাই করা এতদিন দুরূহ ছিল। এমন প্রেক্ষাপটে অ্যাসাইকোডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেম সফটওয়্যারের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সরাসরি অনলাইনে এলসি তথ্য সংগ্রহ করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
বর্তমান ব্যবস্থায় ব্যাংকগুলো আট ডিজিটের এলসি খুলে থাকে। এর সঙ্গে নিজ শাখার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্ধারিত কোড ব্যবহার করে এলসি নম্বর দেয়।