কথা শুনছে না আ. লীগ রাজপথেই বিএনপি

কারো কথাই কানে তুলছে না ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। আগামী সংসদ নির্বাচনকালীন সরকার পদ্ধতি নিয়ে নিজেদের অবস্থানে এখনো অনড় তারা। এ নিয়ে সংলাপ-সমঝোতার চাপ যতই বাড়ছে, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কথা বলে দেশি-বিদেশি সবার পরামর্শ পাশ কাটিয়ে চলছে দলটি। জানা গেছে, যত চাপই আসুক, এ নিয়ে কোনো ছাড় দিতে হলে তা সংবিধানের মধ্যে থেকেই দেওয়া হবে, এর বাইরে নয়। এ ব্যাপারে বদ্ধপরিকর ক্ষমতাসীনরা। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে রাজপথই বেছে নিচ্ছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। এ ব্যাপারে সংলাপের মাধ্যমে সমঝোতার আশ্বাস না পেলে তারা জাতীয় সংসদের চলতি অধিবেশনে যোগ দেবে না। অধিবেশন বর্জন করে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। লাগাতার নৌপথ-রেলপথ-রাজপথ অবরোধ, হরতালসহ যত প্রকারে আন্দোলন করা যায়, তাই করবে বিরোধী দল।
কারো কথাই শুনছে না আওয়ামী লীগ
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, “সংবিধানের বাইরে কিছু হবে না। নির্বাচন নিয়ে সাংবিধানিক ‘স্পিরিট’ থেকে নড়চড় হওয়া যাবে না- এ ব্যাপারে শেখ হাসিনাসহ আমরা একমত।” এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া মতামতকেই দলীয় মত বলে দাবি করে তিনি বলেন, ‘বিদেশিদের হস্তক্ষেপ থাকলেও আমাদের অবস্থান সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা।’ এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, সংবিধানের বাইরে একচুলও নড়া হবে না।
সূত্র জানায়, কূটনীতিক তৎপরতা থাকলেও চিন্তিত নয় আওয়ামী লীগ। কূটনীতিকদের নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর এক নেতা বলেন, এ তৎপরতায় সৈয়দ আশরাফ সফলও হয়েছেন।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিনিধি চেয়ে পাঠানোর ঘটনায় মতিয়া চৌধুরী বলেন, তাঁরা প্রতিবছরই রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে এ ধরনের প্রতিনিধি চেয়ে পাঠায়। সেখানে আন্তর্জাতিক রাজনীতির ওপর একটি কর্মশালা হয়। এবারও এর বাইরে কিছু নয়।
এদিকে দেশি-বিদেশি সব মহল থেকে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে সমঝোতার মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতার সমাধানের রাস্তা বের করার দাবি উঠলেও তাতে কর্ণপাত করছে না ক্ষমতাসীনরা। এমনকি নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে সংলাপ-সমঝোতার প্রয়োজনীয়তার কথাও অস্বীকার করছে তারা। আওয়ামী লীগের দাবি, নির্বাচন পদ্ধতি কী হবে তা সংবিধান নির্ধারণ করে দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে আরেক সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজি জাফরউল্যাহ বলেন, বিদেশিরা কি সংবিধানের বাইরে যাওয়ার কথা বলছেন সরকারকে? অবশ্যই না। আগামীদিনে যা হবে সংবিধান অনুযায়ী হবে। অন্যদিকে দেশের রাজনীতি নিয়ে বিদেশিদের হস্তক্ষেপকে আইন লঙ্ঘন বলে দাবি করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম। তিনি বলেন, ‘আমাদের সমস্যা আমরাই সমাধান করব।’
গত ৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপের তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়াকে চিঠি দেন। এর আগে বিরাজমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে গত ২৩ আগস্ট জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন দুই নেত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। এমনকি গত ২১ আগস্ট দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল বিএনপির দুই শীর্ষ নেতাকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন চীনের রাষ্ট্রদূত লি জুন। লি জুন বলেছেন, দুই নেত্রীকে এক টেবিলে বসানোর জন্য দুই দলের বন্ধুদের মাধ্যমে চেষ্টা চালিয়েছেন তিনি। যদিও নিজেদের সমস্যা নিজেরা মিটিয়ে ফেলার মতো প্রজ্ঞা তাঁদের আছে বলেই তিনি মনে করেন।
১১ সেপ্টেম্বর মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেছে। তাদের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চান বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে সংলাপ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টিতে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে? এর উত্তরে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে আমরা বারবার সুপারিশ করেছি, একসঙ্গে ও ঐকমত্যে উপনীত হয়ে কাজ করতে। ঐকমত্যে পৌঁছালে শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’ তারা জানায়, এরই মধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে গঠনমূলক সংলাপে বসতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কাছে চিঠি দিয়েছেন।
এর আগে জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকো, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পরাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ও ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি, জাপানের উপপ্রধানমন্ত্রী কাতসুইয়া ওকাদা বাংলাদেশ সফর করেন। তাঁদের বক্তব্যেও ওঠে এসেছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সর্বশেষ পরিস্থিতি। তাঁরাও চলমান রাজনৈতিক সংকট সমাধানে সরকার ও বিরোধী দলকে সংলাপে বসার পরামার্শ দেন। এ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত সংকট থেকে উত্তরণের তাগাদা দিয়েছেন ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূতরা। আর দেশের ভেতরে নানা মহলের সভা-সমাবেশ, সেমিনার-সিম্পোজিয়াম থেকে এ তাগাদা তো রয়েছেই। কিন্তু কোনো কিছুই আমলে নিচ্ছে না ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।
অগত্যা রাজপথই বিএনপির ঠিকানা : বর্তমানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিভাগীয় পর্যায়ে জনসভার কর্মসূচি চলছে। দলীয় সূত্র জানায়, এই কর্মসূচি শেষে চট্টগ্রাম ও ঢাকায় মহাসমাবেশ আহ্বান করা হবে। সেখান থেকে সরকার পতনের লাগাতার আন্দোলনের ডাক দেবেন খালেদা জিয়া। ‘চলো চলো ঢাকা চলো’ কর্মসূচিও আসতে পারে বলে সূত্র জানায়।
আরো জানা গেছে, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দেওয়ার দাবিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের বাইরে বিকল্পধারা, গণফোরাম, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল যুগপৎ আন্দোলনে যুক্ত হবে। কোরবানির ঈদের পর আন্দোলন জোরদার করতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে বিএনপি। জোটের বাইরের কয়েকটি দলের প্রধানদের সঙ্গে খালেদা জিয়ার কথা হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।
সংবিধান অনুযায়ী সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিন আগে জাতীয় নির্বাচন হতে হবে। এ ক্ষেত্রে আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে ২৪ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীও সে কথা বলেছেন। ওই সময়ে সংসদের অধিবেশন বসবে না। মন্ত্রিসভা নিয়মিত রুটিন ওয়ার্কের বাইরে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবে না। এই হিসাব কষে বিএনপি এই সময়টা আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করতে চায়। তাদের মতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেও ২৫ অক্টোবরের পর প্রশাসন কিছুটা নিরপেক্ষ হবে। তাই এই সময়ের মধ্যে সমঝোতা না হলে বিরোধী দল আর ঘরে বসে থাকবে না। প্রশাসনের ভেতরে বিএনপি সমর্থিতদের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদেরও কাজে লাগাতে চাইবে বলে দলের বিভিন্ন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এদিকে গত ১২ সেপ্টেম্বর নবম জাতীয় সংসদের ১৯তম অধিবেশন শুরু হয়েছে। বিরোধী দলের নেতারা আশা করেছিলেন, চলতি অধিবেশনে সরকারের পক্ষ থেকে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের বিল উত্থাপন করা হবে এবং সমঝোতার ব্যাপারে বিরোধী দলকে সংলাপের প্রস্তাব দেওয়া হবে। কিন্তু সরকার কোনো প্রস্তাব দেয়নি। পাঁচ দিন চলার পর ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্তমান অধিবেশন মুলতবি করা হয়েছে।
জানা গেছে, মুলতবি অধিবেশন শুরু হওয়ার পর নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার গঠনে সমঝোতার ব্যাপারে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বিরোধী দলকে প্রস্তাব না দিলে বিএনপি এই চলতি অধিবেশনে আর যোগ দেবে না। তারা রাজপথের আন্দোলনে নামবে বলে দলটির একাধিক নেতা জানান।
কিন্তু বিরোধী দলের এসব পরিকল্পনাকেও গুরুত্ব দিচ্ছে না সরকার। এ অবস্থায় দাবি আদায়ের আন্দোলনে শরিক হতে সারা দেশ থেকে বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের ঢাকায় আসতে বলা হতে পারে। সম্প্রতি বিরোধী দলের নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া রংপুর ও রাজশাহীর জনসভায় বলেছেন, ‘দাবি আদায়ে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। কর্মসূচির ডাক দিলে আপনাদের ঢাকার দিকে যেতে হবে। আপনারা আসবেন কী?’ তখন উপস্থিত নেতা-কর্মীরা স্লোগান ও করতালি দিয়ে দুই হাত উঁচু করে দেখিয়ে দিয়েছে, তারা কর্মসূচির অপেক্ষায়। বিরোধী দলের নেতা এমনও বলেছেন, এই পরিস্থিতিতে কে বড় নেতা আর কে ছোট নেতা, কিংবা কে বড় দলের আর কে ছোট দলের, তা ভাবলে হবে না। এই সরকারকে সরাতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। পুলিশ ও প্রশাসনের উদ্দেশে তিনি বলেন, ২৫ অক্টোবরের পর এই সরকারের অন্যায় আদেশ আর মানবেন না।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দেশের ৯০ ভাগ মানুষের দাবি, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন। ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করব। এই সময়ের মধ্যে দাবি মেনে নেওয়া না হলে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে। দাবি আদায়ে রাজপথসহ সারা দেশে কঠোর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।’ তিনি বলেন, হরতালের পাশাপাশি সড়ক-নৌ-রেলপথ-রাজপথ অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি দেওয়া হবে। এই আন্দোলনে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে সরকারই দায়ী থাকবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘চলতি অধিবেশনে আমরা আশা করেছিলাম নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার গঠনে সরকার বিল উত্থাপন করবে। কিন্তু সরকার তা করেনি। তারা যদি বিল উত্থাপন না করে, তাহলে সংসদ অধিবেশনে আমাদের যাওয়া সম্ভব নয়। তখন রাজপথের আন্দোলনে নামা ছাড়া বিকল্প পথ নেই।’
১৮ দলীয় জোটের বাইরে বিকল্পধারাও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দেওয়ার দাবিতে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ করছে। দলের প্রেসিডেন্ট ও সাবেক রাষ্ট্রপতি ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন না হলে দেশ গৃহযুদ্ধের দিকে চলে যাবে। দেশের ৯০ ভাগ মানুষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার চায়। সেখানে জনগণের দাবি উপেক্ষা করে একতরফা নির্বাচনের চেষ্টা করা হলে দেশে আগুন জ্বলবে। এ নিয়ে কোনো সংঘাত হলেও তার দায়-দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীকেই নিতে হবে। আমরা মনে করি, এখনো সময় আছে ২৫ অক্টোবরের মধ্যে সমঝোতা হোক।’
এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্র করে বিরোধী দলকে নির্বাচনের বাইরে রাখতে চায়। কিন্তু দেশের মানুষ অতীতেও একতরফা নির্বাচনের জবাব দিয়েছে। ভবিষ্যতে যদি একতরফা নির্বাচনের ষড়যন্ত্র করা হয়, তা-ও প্রতিহত করবে দেশের কোটি কোটি মানুষ।
স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ বলেন, ২৫ অক্টোবরের পর এই সরকারকে প্রত্যাখ্যান করবে দেশের মানুষ। এ জন্যই সরকার ক্ষমতা হাতে রেখে নির্বাচন করতে চায়। প্রয়োজনে সারা দেশের মানুষ ঢাকায় আসবে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করলে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করা হবে।