কিসের জন্য—কী লাভ?…সৈয়দ আবুল মকসুদ

বব ডিলান-এর সব সংগীতই অসামান্য, তবে তাঁর ‘ব্লোইন ইন দ্য উইন্ড’ আমার বিশেষ প্রিয়। ১৯৬৩ সালে তিনি এটি আমেরিকার টেলিভিশনে পরিবেশন করেন। মিষ্টি নাকি-নাকি জাদুকরি গলা। তিনি গাইলেন, বলা বাহুল্য রচনা তাঁরই—‘হাউ মেনি রোডস মাস্ট এ ম্যান ওয়াক ডাউন/ বিফোর ইউ কল হিম অ্যা ম্যান?’ কতটা পথ হেঁটে গেলে কাউকে মানব বলা যায়? এই গানেরই অন্য পঙিক্ততে তিনি বলছেন: এ প্রশ্নের জবাব তো বন্ধু বাতাসেই ভেসে বেড়াচ্ছে। দ্য অ্যানসার ইজ ব্লোইন [ব্লোইং] ইন দ্য উইন্ড। গানটি পরে তিনি তাঁর বান্ধবী কণ্ঠশিল্পী জোয়ান বায়েজের সঙ্গে দ্বৈতকণ্ঠেও গেয়েছেন। অপূর্ব।
২৪ সেপ্টেম্বর বব ডিলানের এই গানটির কথাগুলো মনে পড়ছিল রামপাল অভিমুখে লংমার্চে হাজারো মানুষের সঙ্গে সাভার-মানিকগঞ্জ সড়কে হাঁটতে হাঁটতে। কতবার এবং কত মাইল হাঁটলে একজন মানুষ সচেতন নাগরিক হয়ে ওঠে? ববের কাছে আমরা বাংলাদেশিরা ঋণী। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে রয়েছে তাঁর অবদান। একাত্তরে নিউইয়র্কে জর্জ হ্যারিসনের ‘বাংলাদেশ কনসার্টে’ বব ছিলেন তাঁর অন্যতম সহশিল্পী।
আমাদের যাঁদের জীবনে ভিত্তি অর্থাৎ মনোজগতের ভিত্তি স্থাপিত হয়েছে ষাটের দশকে, তাঁদের কাছে বব ডিলান ছিলেন প্রতিবাদের প্রতিমা। তাঁর গান বিশ্বের যুবসমাজকে একদিন আন্দোলিত করত। অন্যায়ের বিরুদ্ধে, অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে যুবসমাজকে সাহস সঞ্চার করত। ষাট ছিল সম্ভাবনার দশক। একদিকে ভিয়েতনামসহ বিভিন্ন দেশে জাতীয় মুক্তিসংগ্রাম অথবা সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন; অন্যদিকে পূর্ববাংলার মানুষ চাইছিল একনায়কত্বের অবসান, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন। আমাদের পূর্বপুরুষেরা শোষিত-নিপীড়িত হয়েছেন শতাব্দীর পর শতাব্দী। আমরা চাইছিলাম সামন্তবাদী শোষণ-নিপীড়নের অবসান। সমাজতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা। বিশ্বব্যাপী এসেছিল যুবসমাজে প্রতিবাদী জাগরণ। তাতে বব ডিলানসহ অসংখ্য শিল্পী, সাহিত্যিক, দার্শনিকের সক্রিয় ভূমিকা ছিল।
সাভারের রানা প্লাজার জায়গাটি থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে উত্তাল মিছিল এগোচ্ছিল। আশ্বিনী প্রচণ্ড রোদ। পথের পাশে দাঁড়ানো কেউ একজন সহানুভূতির সঙ্গেই বলল, এই যে কষ্ট, কিসের জন্য, কী লাভ?
জাহাঙ্গীরনগরে পৌঁছে দুপুরে খাওয়ার সময় লোকটির কথাটা আমার মনে পড়ল। লোকটি বেঠিক কিছু বলেনি। কোন এক অপ্রতিরোধ্য আবেগে মানুষগুলো হাঁটছে মহাসড়কে—এতে তাঁদের কী লাভ?
আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ মানুষের চোখে মিটিং-মিছিলের উপযোগিতা চোখে পড়ে না। বাংলার হতভাগ্য মানুষ মিছিল করেই বাংলা ভাষার অধিকার আদায় করেছে বায়ান্নতে। মিছিল করেই মুসলিম লীগের কবর খুঁড়েছে চুয়ান্নতে। মিছিল করেই সাম্প্রদায়িক শিক্ষানীতি বাতিল করতে বাধ্য করেছে আইয়ুব সরকারকে। মিছিলকারীরাই আইয়ুব শাহির পতন ঘটায়—ঘরে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকা মানুষেরা নয়। মুক্তিযুদ্ধের পূর্বসূচক ছিল মিছিল আর মিছিল।
আমি যে কবে থেকে মিছিলে হাঁটছি সঠিক স্মরণ নেই। তবে বাষট্টির শুরু থেকে যে হাঁটছি, তা মনে পড়ে। অসংখ্য ইস্যুতে প্রতিবাদী মিছিল। ভিয়েতনামে যুদ্ধ হচ্ছে, পড়ছে নাপাম বোমা, গণহত্যা হচ্ছে মাইলাই পল্লিতে—মিছিল হয়েছে ঢাকায়। দাঙ্গায় মানুষ মরছে গুজরাটে, হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতে শান্তিমিছিল হয়েছে ঢাকায়। সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে কত যে মিছিল হয়েছে, তার শেষ নেই। ষাটের দশকে যাঁদের আহ্বানে মিছিলে যোগ দিয়েছি, তাঁরা স্বাধীনতার পরে অনেকে ক্ষমতায় গেছেন। প্রায় সব সরকারের সময় কেউ না কেউ ক্ষমতার স্বাদ তাঁরা পেয়েছেন। দেশের খেদমত করার সুযোগ পেয়েছেন। দেশের স্বার্থে দেশ-বিদেশ করেছেন দুর্বার গতিতে। কোটি টাকা দামের গাড়ি হাঁকাচ্ছেন। পঞ্চাশ বছর পরে আমিও আর আগের জায়গায় নেই। তাঁদের মতোই আমারও প্রমোশন হয়েছে। আগে থাকতাম মিছিলের মাঝখানে বা পেছনে—এখন সামনে। সেদিন যাঁরা মিছিল করে গাল খেতেন, আজ তাঁরা মিছিলকারীদের গালাগাল দেন। একেই বলে নিয়তি।
গত ষাট বছরে তিন-চারটি সংগঠনের নেতাদের সংস্পর্শে আসার সুযোগ পেয়েছি। সেগুলো হলো আওয়ামী লীগ, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি এবং পূর্ব পাকিস্তান কৃষক সমিতি। দোষে-গুণেই মানুষ। এসব সংগঠনের নেতাদের দেশপ্রেমে কোনো ঘাটতি দেখিনি। এবং তাঁরা জনগণের কাছের মানুষ, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। গত বিয়াল্লিশ বছরে কমবেশি ঘুরেফিরে তাঁরাই ক্ষমতায় গেছেন। এমনকি সামরিক শাসনের মধ্যে তাঁরা ক্ষমতার ভাগ পেয়েছেন। তাঁদের যখন জনস্বার্থবিরোধী কাজ করতে দেখেছি, তখন খুবই কষ্ট পেয়েছি। অনেকে যখন ব্যক্তিস্বার্থে গণবিরোধী কাজের মৌখিক প্রতিবাদও করেন না, তখন কষ্ট পাই।
একটি সরকারকে প্রতিদিন হাজারো কাজ করতে হয়। অধিকাংশই রুটিন কাজ। নীতিনির্ধারণী কাজের সংখ্যা অল্প। সিদ্ধান্ত নিতে গেলে বা কাজ করতে গেলে সরকারের ভুল হওয়া স্বাভাবিক। যখন কোনো ভুল নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলে, তার যথার্থতা খতিয়ে দেখতে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করাই বুদ্ধিমানের কাজ। বিরোধিতাকারীদের শত্রুপক্ষ ভাবা খুবই অবিচার।
গত এক যুগে বিভিন্ন সরকার হাজার হাজার প্রকল্প গ্রহণ করেছে। তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি তার কোনোটি নিয়েই মাথা ঘামায়নি। শুধু বিদেশি কোম্পানির কাছে সমুদ্রে ব্লক ইজারা দেওয়া, উন্মুক্ত পদ্ধতিতে ফুলবাড়ীতে কয়লা উত্তোলন, কুইক রেন্টাল করে বিদ্যুতের ঘাটতি মেটানো, সুন্দরবন ধ্বংস করে রামপালে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন, রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন প্রভৃতি কয়েকটি ইস্যুতে জাতীয় কমিটি, বাম দলগুলো ও নাগরিক সমাজের একটি অংশ প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে। এই সংসারে সুখ-শান্তিতে থাকতে হলে মানুষকে বিভিন্ন পক্ষ অবলম্বন করতে হয়। সরকারের অনুগত ও সুবিধাভোগী বিশিষ্ট ও বিখ্যাত নাগরিকদের একটি অংশ সরকারের যেকোনো প্রকল্পের অবিচল সমর্থক। তাঁরা এসব বিষয়ে নেই, তাঁদের এজেন্ডা আলাদা।
আমাদের অনেকের মধ্যে একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে, গণতন্ত্রে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাই সব। রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তা নয়। নাগরিক সমাজের মাধ্যমে—বিশ্বব্যাপী যার নাম সিভিল সোসাইটি—জনগণের আবেগ-অনুভূতি ও মতামতের প্রকাশ ঘটে। প্রাজ্ঞ নেতাদের কারও কারও মুখে শুনতে পাই—নির্বাচনে দাঁড়ালে ৩০০ ভোট পাবেন না, তাঁরা করেন আন্দোলন! তাঁদের এই বক্তব্য অসত্য নয়। কিন্তু যখন তাঁরা প্রতিবাদকারীদের আখ্যায়িত করেন দেশবিরোধী, সরকারবিরোধী, তখন দুঃখ হয়। সরকারের কোনো একটি প্রকল্পের বিরোধিতা করা বা কোনো নীতির বিরোধিতা করা যে সরকার-বিরোধিতা নয়, তা কোনো নির্বোধও বোঝে। সরকারের উচ্চশিক্ষিত নীতিনির্ধারকদের বোঝানোর স্পর্ধা আমাদের নেই যে, প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন জনগণের নির্বাচিত নেতা। ওবামা, ওঁলাদ, ক্যামেরন সিদ্ধান্ত নিলেন দামেস্ক গুঁড়িয়ে দেবেন এবং প্রেসিডেন্ট আসাদকে ফেলে দেবেন। তাঁদের দেশের অনির্বাচিত নাগরিক সমাজের নেতারা প্রতিবাদ করলেন। তাঁরা দামেস্কে মিসাইল হানা থেকে সরে আসতে বাধ্য হন। তাঁদের দেশের যাঁরা তাঁদের বিরোধিতা করেছেন, তাঁদের কষে গালমন্দ করার কথা শুনিনি। বরং পার্লামেন্টে হেরে গিয়ে ক্যামেরন বলেছেন: তাঁদের কথায় ব্রিটিশ জনমতের প্রতিফলন ঘটেছে। জাতীয় কমিটি থেকে প্রকল্প বন্ধের একটি আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে লংমার্চের শেষ দিনে। তার জবাবে ধ্বনিত হলো: আই ডোন্ট কেয়ার আলটিমেটাম। এই ধমক ও ঔদ্ধত্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের লেশমাত্র প্রকাশ আছে কি না, তা সাধারণ মানুষের ভেবে দেখার বিষয়।
রামপালে তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিলের যে আন্দোলন, তা একটি জনস্বার্থ রক্ষার ইস্যু। এই আন্দোলন বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে নয়, ভারত সরকারের বিরুদ্ধেও নয়। যাঁরা এই ইস্যুতে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাঁরা কারা? প্রকৌশলী শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও অধ্যাপক আনু মুহাম্মদকে কে না চেনে? এই আন্দোলনে বাম দলগুলোর নেতারা সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে না পারুন, সাম্প্রদায়িকতামুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য সাধ্যমতো সংগ্রাম করছেন পঞ্চাশ বছর যাবৎ। এ তো গেল নেতৃত্বের কথা। লংমার্চে হাজার হাজার ছেলেমেয়ে, যাঁরা নিজেদের টাকায় আমাদের সঙ্গে গেছেন, তাঁদের মধ্যে শত শত হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান রয়েছেন। তাঁরা টেন্ডারি যুবসমাজ নন। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, প্রায় না ঘুমিয়ে তাঁরা পাঁচটি দিন রাজপথে ছিলেন। পাঁচটি দিন তাঁরা কী দিয়ে ভাত খেয়েছেন, তা বলতে আমার সংকোচ হচ্ছে। সরকারের পুলিশের গোয়েন্দা ও বিশেষ শাখার কর্মকর্তারা ভালো জানেন। তবে এটাও স্বীকার করব, পুলিশ আমাদের যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে।
ঢাকা থেকে যে আড়াই হাজার কর্মী আমাদের সঙ্গে গেছেন, তাঁদের অধিকাংশই মহাজোটের ভোটার। পথের দুই পাশের যে লাখ লাখ নারী-পুরুষ—হিন্দু-মুসলমাননির্বিশেষে সমর্থন জানিয়েছেন, তাঁরা নৌকা ও ধানের শীষ—দুই মার্কাতেই সিল দেন। জাতীয় কমিটি, বাম দলগুলো, পরিবেশবাদীদের দুর্বলতা এখানে যে তাঁরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বিশ্বাস করেন। সে জন্যই মাননীয় মন্ত্রী তাঁদের ডোন্ট কেয়ার করেন। হেফাজত, জামায়াত বা ইসলামী ঐক্যজোটকে ডোন্ট কেয়ার করা সম্ভব নয়।
বাস্তবিক পক্ষেই সরকারের কেয়ার করার কারণ নেই। রামপালে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র হলে কয়লার গুঁড়াতে নিঃশ্বাস নিয়ে মরবেন ওই এলাকার হিন্দু-মুসলমান-খ্রিষ্টানরা। মরবে বঙ্গোপসাগরের ডলফিন ও অন্যান্য জলজ প্রাণী। মরবে সুন্দরবনের পাখপাখালি, হরিণ, বাঘ, ভালুক, সাপ, বেজি প্রভৃতি বোবা জীবজন্তু। তাদের যদি ভাষা থাকত, তাহলে তারাই প্রেসক্লাবে এসে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিবাদ করত। বাঘ-ভালুক-হরিণরাই লংমার্চ করত ঢাকার শেরেবাংলা নগর অভিমুখে। সুন্দরবনের সুন্দরী, গেওয়া, গরান, কেওড়া, ভারা প্রভৃতি বৃক্ষের যদি হাত-পা থাকত, তাহলে ওরা অনেক আগেই রওনা দিত ঢাকার দিকে। তোপখানা রোডে করত মানববন্ধন ও মিছিল। বিধাতা সে ক্ষমতা ওদের দেননি বলেই ওদের পক্ষে নাগরিকদের কথা বলতে হয়।
সরকারের নীতিনির্ধারকেরা জানেন না, প্রকাশ্য প্রতিবাদ ও নিয়মতান্ত্রিক শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিকে অগ্রাহ্য ও অবমূল্যায়ন করা হলে জনগণের ভেতর থেকেই উগ্র শক্তির উত্থান ঘটে। উগ্রপন্থীদের সব কাজ জনগণের স্বার্থের পক্ষে যায় না। বিশেষ করে উগ্রপন্থীরা যদি প্রতিক্রিয়াশীল হয়, তাহলে তাদের তৎপরতায় জাতির ক্ষতি হয়। অথচ তাদের কোনো সরকারই কেয়ার না করে পারে না। অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক নেতাদের নিয়মতান্ত্রিক প্রতিবাদকে ‘ডোন্ট কেয়ার’ বলে অপমান ও অগ্রাহ্য করা হলে উগ্র গোষ্ঠীর আবির্ভাব ঘটা স্বাভাবিক। তা উগ্র বামও হতে পারে, উগ্র ধর্মীয়ও হতে পারে।
শুরু করেছিলাম বব ডিলানকে দিয়ে, শেষও করতে চাই তাঁকে দিয়েই। অন্যায়-অবিচারের দুনিয়ায় পরিবর্তন আসছে। যত শিগগিরই সম্ভব জনতার কাতারে এসে দাঁড়াতে আহ্বান করছেন তিনি। জনতার প্লাবন ধেয়ে আসছে। ওই প্লাবনের পানিতে পাথরের মতো তলিয়ে যাবেন: ‘কাম গ্যাদার [অ্যা] রাউন্ড পিপল/ হোয়ারএভার ইউ রো’ম/ অ্যান্ড অ্যাডমিট দ্যাট দ্য ওয়ার্টার্স/ অ্যারাউন্ড ইউ হ্যাভ গ্রো’ন/…দেন ইউ বেটার স্টার্ট সুইমিং/ অর ইউ উইল সিঙ্ক লাইক অ্যা স্টোন/ ফর দ্য টাইমস দে আর অ্যা-চেঞ্জিং।’ সিনেটর ও কংগ্রেসম্যানদের উদ্দেশে গীত এই গানটি আপনারা নিজ কানে শুনে নেবেন।
সৈয়দ আবুল মকসুুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।