খালেদা জিয়ার গাড়িবহর থেকে টুকু আটক

রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অসুস্থ নেতা রুহুল কবীর রিজভীকে দেখে ফেরার সময় বিএনপি চেয়ারপারসন ও বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার গাড়িবহর থেকে ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুকে আটক করেছে পুলিশ। এ নিয়ে বিরোধীদলীয় নেতার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সদস্যদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এর ফলে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর ১৫ মিনিট কার্যালয়ের সামনে সড়কে থেমে ছিল। পুলিশ টুকুকে নিরাপত্তাকর্মীদের গাড়ি থেকে নামিয়ে নিয়ে যায়। গতকাল সোমবার রাত ১১টা ১০ মিনিটের দিকে খালেদা
জিয়া কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে গুলশানের উদ্দেশে রওনা হন। তাঁর গাড়ির পেছনে নিরাপত্তাকর্মীদের একটি মাইক্রোবাস থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের সঙ্গে পুলিশের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এ সময় পুলিশ বিরোধীদলীয় নেতার দুই নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে প্রহার করে। এ নিয়ে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পুলিশ এ সময় বিরোধীদলীয় নেতার নিরাপত্তা কর্মকর্তার একটি মাইক্রোবাসের পাশের গ্লাস ভেঙে ফেলে।
পরে টুকুকে ছেড়ে দেওয়া হবে- পুলিশের এমন আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে রাত ১১টা ৩০ মিনিটে খালেদা জিয়ার গাড়িবহর নয়াপল্টন কার্যালয় থেকে চলে যায়।
এদিকে পুলিশের মতিঝিল জোনের এডিসি মেহেদি হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ‘ম্যাডামের গাড়িবহর যখন সাজানো হচ্ছিল, তখন পেছন থেকে একটি গাড়ি আমাদের চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। এতে আমিসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আমার ডান হাতে এখনো রক্তক্ষরণ হচ্ছে। সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু ওই গাড়িতে ছিলেন। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।’ গাড়িচাপা দিলে চালককে আটক না করে আরোহীকে কেন আটক করা হলো- এ প্রশ্নে মেহেদি বলেন, ‘চালক পালিয়ে গেছে। কিন্তু আমাকে টার্গেট বা অন্য কোনো ষড়যন্ত্র করে চাপা দিতে চেয়েছিল কি না, তা জানতেই টুকুকে আটক করা হয়েছে।’