গ্রেপ্তার আতঙ্ক মাথায় নিয়ে রণকৌশল

২৫ অক্টোবর ঢাকায় মহাসমাবেশ থেকে বিএনপির কঠোর আন্দোলন কর্মসূচির ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ঢাকাসহ সারা দেশে ১৮ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীদের ধরপাকড় শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ধরপাকড় ও হয়রানি শুরুর অভিযোগও তোলা হয়েছে। সরকারের এই দমননীতি মোকাবিলা এবং সরকারবিরোধী আন্দোলন সফল করতে প্রধান বিরোধী দলের ঢাকা মহানগর কমিটি ও সহযোগী সংগঠনগুলো দফায় দফায় বৈঠক করছে। সেসব বৈঠকে নেতারা সরকারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত রণকৌশল নিয়ে আলোচনা করছেন। তাঁদের মাঝে গ্রেপ্তার আতঙ্কও বিরাজ করছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
তবে পুলিশ কর্মকর্তারা বিএনপির নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারে কোনো অভিযানের কথা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। বিরোধীদলীয় জোটভুক্ত নেতাদের পুলিশি হয়রানির অভিযোগও তাঁরা অস্বীকার করেন।
বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, ২৪ অক্টোবরের পর এ সরকারের মেয়াদ শেষ। তাই নৈতিকভাবে তাদের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই। সরকারবিরোধী রণকৌশল ঠিক করতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ইতিমধ্যে বৈঠক করেছেন যুবদল, ছাত্রদলসহ বেশ কয়েকটি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে। এসব বৈঠকে আন্দোলনের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। সূত্র মতে, তাদের বলা হয়েছে ১৮ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে যে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে, তা যথাযথভাবে সর্বোচ্চ সক্রিয়তার সঙ্গে পালন করতে। এ কর্মসূচি সফল করতে সংগঠনগুলোকে নিজস্ব কৌশল অবলম্বনের নির্দেশও দেন তিনি। বিভিন্ন সময়ে হওয়া ওই বৈঠকগুলোর পরপরই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুলের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। গত বুধবার সারা দিন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ছাত্রদলের সিনিয়র নেতারা বৈঠক করেছেন। বৈঠকে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানদের ডেকে আনা হয়। তাঁদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয় ইউনিটের চৌকস (যাঁরা আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারিতে থাকবেন) ১০ জন করে কর্মী বাছাই করতে। তাঁরা দুটি দলে বিভক্ত থাকবেন। এই কর্মীবাহিনী পুরো রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান করবে। এভাবে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে রাজপথ দখলের রণকৌশল প্রণয়নে ব্যস্ত যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলও।
ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল গতকাল শুক্রবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া সরকারবিরোধী আন্দোলনের যে ডাক দিয়েছেন, তার বাস্তবায়নে আমরা সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছি। নেত্রীর নির্দেশে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রাজপথে থেকে যেকোনো কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে আমরা প্রস্তুত।’
সরকারবিরোধী আন্দোলনের রণকৌশলে কী থাকছে জানতে চাইলে আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল বলেন, আন্দোলন করতে হলে কৌশল তো থাকবেই। তা এখনই প্রকাশ করা যাচ্ছে না।
একইভাবে যুবদলও নিয়মিত বৈঠক করছে বিভিন্ন স্থানে। ছাত্রদলের মতো রাজপথে থাকার সর্বোচ্চ প্রস্তুতির কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে দলটি।
যুবদল সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সরকার দমন-পীড়নের যে পদক্ষেপ নিয়েছে তা মোকাবিলা করে রাস্তায় টিকে থাকার মতো সব ধরনের প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। সময়মতো তা প্রয়োগ করা হবে।’ একই বক্তব্য স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেলেরও।
রণকৌশল নির্ধারণে দফায় দফায় বৈঠক করছেন ঢাকা মহানগর বিএনপি নেতারাও। খালেদা জিয়া গত বুধবার রাতে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যাওয়ার আগে সোমবার রাতে তাঁর গুলশানের কার্যালয়ে দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদেক হোসেন খোকাসহ দলের কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও মহানগরের কয়েকজন আহ্বায়ক উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকে খালেদা জিয়া নেতাদের কিছু দিকনির্দেশনা দিয়ে যান। এর পরই গতকাল শুক্রবার ঢাকা মহানগরের পক্ষ থেকে ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, মতিঝিল শাপলা চত্বর অথবা পল্টন ময়দানের সামনে মহাসমাবেশের অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়।
গত বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব আব্দুস সালাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সরকারবিরোধী আন্দোলনের জন্য আমরা প্রস্তুত। সরকার অগণতান্ত্রিক কিছু করতে চাইলে তার দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।’
মহানগর বিএনপি কিভাবে সরকারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় থাকবে তা নির্ধারণে গত সোমবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠক হয়। সকাল ১১টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত বৈঠকে মির্জা ফখরুল, সাদেক হোসেনসহ মহানগরের আহ্বায়করা উপস্থিত ছিলেন। রুদ্ধদ্বার ওই বৈঠকের অগ্রগতি জানানো হয় বিএনপি চেয়াপারসনকে। তাঁর নির্দেশে গত বৃহস্পতিবার আবারও নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠক করেন বিএনপি নেতারা। মির্জা ফখরুল, সাদেক হোসেন খোকা, আব্দুস সালামসহ ঢাকা মহানগরের যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতারা এতে উপস্থিত ছিলেন।
ওই বৈঠকে উপস্থিত এক নেতা জানান, দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, ধীরে ধীরে পুলিশ ও প্রশাসনের ওপর সরকার নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে। ২৫ অক্টোবরের পর সব প্রতিষ্ঠানের ওপর সরকারের শতভাগ নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। তাই সে সময় নেতা-কর্মীদের শতভাগ ‘ঝুঁকি’ নিতে হবে। ওই সময় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও রাজপথে থাকবেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন আন্দোলন কর্মসূচি প্রসঙ্গে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সংবিধানের চলতি অধিবেশনে সরকার কী করে, আমরা তা দেখছি। সরকার দাবি না মানলে যা যা করা দরকার তা-ই করা হবে।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কালের কণ্ঠকে বলেন, গত পাঁচ বছর ধরে পুলিশ বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের হয়রানি-নির্যাতন করেছে। সভা-সমাবেশের ডাক দিলে গ্রেপ্তার, হয়রানি-নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায়। ইতিমধ্যে দলের নেতা-কর্মীদের বাড়িতে পুলিশ তল্লাশি করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘তবে যতই সরকার পুলিশ দিয়ে হয়রানি ও ভয়ভীতি দেখাক না কেন, আমাদের আন্দোলন চলবে। যত বেশি হয়রানি করবে তত বেশি আন্দোলন বেগবান হবে।’
মির্জা ফখরুল গতকাল এক বিবৃতিতে বলেন, বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমানের বাসায় পুলিশ হানা দিয়েছে। মশিউরকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি। বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, বর্তমান আওয়ামী সরকারের শাসনামলে শুরু থেকেই বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের ওপর যে নৃশংসতা চালানো হচ্ছে, তা বর্তমানে আরো ভায়াবহ আকার ধারণ করেছে। মশিউর রহমানের বাসায় পুলিশি হানা এরই প্রমাণ। মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহার প্রাক্কালে বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের বাসায় পুলিশি হানা আওয়ামী দুঃশাসনের আরো একটি ধিকৃত ঘটনা। তিনি বলেন, ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে জনগণের গণতান্ত্রিক ও মৌলিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন থেকে আমাদের দমানো যাবে না। সরকারের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, বিরোধী দল দমনে হত্যা, গুম, হামলা, মিথ্যা মামলা ও জুলুম-নির্যাতনের পথ থেকে সরে না এলে সরকারের শেষ সময়ে এমন পতন হবে, যা আগামী সব স্বৈরাচারের জন্য হবে শিক্ষণীয় দৃষ্টান্ত।
অপর এক বিবৃতিতে গতকাল বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম দলের খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমানের ওপর সরকারি জুলুম-নির্যাতন ও হয়রানির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের পতনের সময় ঘনিয়ে এসেছে বলেই এরা সন্ত্রাসের পরিকাঠামো নির্মাণ করে বিরোধী দলকে নানা দিক থেকে বিপর্যস্ত করে যাচ্ছে। এসব অপকর্ম বন্ধ করা না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বার গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী দুঃশাসনের পতন নিশ্চিত করা হবে।
বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ব্রিফিংয়ে বলেন, দলের নেতা-কর্মীদের বাসাবাড়িতে সাদা পোশাকধারী পুলিশ তল্লাশি চালায়। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিনিয়ত আশঙ্কা করছি, সরকার অন্যায়ভাবে নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করে নির্যাতন চালাবে। মশিউর রহমানের বাড়ি ছাড়াও রাজধানীর হাজারীবাগ থানা বিএনপি নেতা আব্দুল আজিজের বাসায় তল্লাশি চালিয়েছে সাদা পোশাকধারী পুলিশ।’ তিনি বলেন, ১৮ দলীয় জোটের শরিক ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান আব্দুল মবিন চৌধুরীকেও গ্রেপ্তার করে আবার ছেড়ে দেওয়া হয়।
রিজভী বলেন, ঢাকায় অনুষ্ঠেয় মহাসমাবেশের স্থানের ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। সমাবেশ করার ঘোষণার পরপরই ঢাকাসহ সারা দেশে বিএনপি নেতা-কর্মীদের বাসাবাড়িতে পুলিশি অভিযান চলছে। সমাবেশে লোকজন আসতেও বিভিন্ন স্থানে বাধা দেওয়া হতে পারে। তিনি বলেন, ‘যত আশঙ্কাই থাকুক না কেন আমাদের নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের দাবি সংবিধানে সংযোজন করতে হবে।’
এ প্রসঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নানা রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনকালে হামলা, ভাঙচুর, বিস্ফোরণসহ নাশকতামূলক ঘটনায় বিএনপি নেতা-কর্মীরা অভিযুক্ত হয়েছে। সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানাগুলোয় মামলা রয়েছে। সেসব মামলার আসামি হিসেবে পুলিশ নিয়মিত অভিযানের মাধ্যমে তাদের খুঁজতে পারে। দেশে এ মুহূর্তে কোনো বিশেষ অভিযানের নির্দেশনা নেই। আর তালিকা করে কোনো বিশেষ দলের নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানোর অভিযোগ পুলিশকে বিতর্কিত করতেই করা হচ্ছে। প্রতিদিন পুলিশ যে স্থান থেকে যাকেই গ্রেপ্তার করছে, তাদের পরিচয়সহ কারণ প্রকাশ করছে। পরোয়ানা ছাড়া কারো বাসা কিংবা অফিসে তল্লাশি করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই বলেও জানান তাঁরা।
ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের অভিযান নিয়মিত চলছে। এসব বিশেষ কোনো অভিযান নয়। এ মুহূর্তে রাজধানীতে কোনো বিশেষ দলের নেতাদের গ্রেপ্তারের অভিযোগ ভিত্তিহীন ও নিতান্তই গুজব। নাশকতা, বিস্ফোরণ, ভাঙচুরসহ নানা ঘটনায় আগে দায়ের করা মামলার পলাতক আসামিদের খোঁজা হচ্ছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ রাজনীতি সংশ্লিষ্ট থাকতে পারে। শুধু রাজনৈতিক কারণে কাউকে পুলিশের হয়রানির অভিযোগ ভিত্তিহীন।
বাড়িতে পুলিশি তল্লাশির অভিযোগ প্রসঙ্গে মশিউর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিপদগ্রস্ত অবস্থায় আছি। এ নিয়ে কিছু বলতে চাই না।’ তাহলে কি আপনার বাড়িতে পুলিশ তল্লাশি অভিযান হয়নি প্রশ্ন করলে তিনি ইতস্তত বোধ করে বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে এখন নয়, কালকে বলব।
হাজারীবাগ থানার ওসি মাইনুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতে হত্যা মামলার আসামি আব্দুল আজিজ নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের জন্য তাঁর বাসায় অভিযান চালানো হয়েছে। এই আজিজ কোনো দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত কি না জানা নেই।
বিএনপি নেতা আব্দুল আজিজের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাঁর সেলফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
শান্তিনগর থেকে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকলে ব্যবহৃত পুলিশের গাড়িকে লক্ষ্য করে ঢিল মারার অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুল মোবিনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করে রমনা থানায় নিয়ে যায়। ওই এলাকায় তাঁর চেম্বার। গতকাল সকাল ১১টার দিকে মুচলেকা দিয়ে তিনি থানা থেকে মুক্তি পান। এ প্রসঙ্গে তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘যে অভিযোগে আমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল তা ঠিক নয়। কে বা কারা ঢিল মেরেছে আমি জানি না।’