চট্টগ্রামে এনবিআর চেয়ারম্যান

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির কথা বলা হয়নি

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রতিবেদনে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে কর ফাঁকির কথা বলা হয়নি বলে জানিয়েছেন এনবিআরের চেয়ারম্যান মো. গোলাম হোসেন।
গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রামে কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের নতুন কার্যালয় উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
এনবিআরের চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা বলেছি কিছু অনিয়ম হয়েছে। গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক থাকাকালে বিভিন্ন দেশ থেকে তাঁর আয় এবং আয়কর অব্যাহতি কতটুকু বিধিসম্মত হয়েছে, তা পরীক্ষা করা দরকার বলে এনবিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। সরকারি বিবৃতিতেও বিষয়টি সুস্পষ্ট করা হয়েছে।’
মো. গোলাম হোসেন বলেন, পরীক্ষার-নিরীক্ষার পর ‘অনিয়ম’ চূড়ান্তভাবে শনাক্ত হলে মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংক ও গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ব্যবস্থা নেবে।
এনবিআরের চেয়ারম্যান বলেন, সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী কোনো কর্মকর্তা ৫০০ টাকার বেশি উপহার নিতে পারেন না। এর বেশি নিতে হলে পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। মুহাম্মদ ইউনূস বিদেশ থেকে প্রায় ৫০ কোটি টাকা এনেছেন। এ অর্থ আনার ক্ষেত্রে তিনি যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে কোনো ধরনের অনুমতি না নিয়ে থাকেন, তাহলে তাঁর প্রায় ১৩ কোটি টাকার আয়কর অব্যাহতি অবৈধ।
এত দিন পর মুহাম্মদ ইউনূসের বিষয়টি কেন তোলা হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে এনবিআরের চেয়ারম্যান বলেন, হাইকোর্টের রায়ের পর তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের পদ ছাড়েন। ওই রায়ে বলা হয়েছে, ১৯৯৯ সালে থেকে পরবর্তী সময়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে তাঁর দায়িত্ব অবৈধ ছিল। এই রায়ের পরই এ বিষয়টি সামনে চলে আসে। বন্ড কমিশনার আবদুল মান্নান শিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন রাজস্ব বোর্ডের সদস্য মো. নাসির উদ্দিন ও মো. ফিরোজ শাহ আলম।