সীমান্তে ভারতের ড্রোন মোতায়েনের পরিকল্পনা

সমকাল ডেস্ক
অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তে চালকবিহীন বিমান (ড্রোন) মোতায়েনের পরিকল্পনা নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। ড্রোন ব্যবহার ও পরিচালনা পদ্ধতির খসড়া চূড়ান্ত করছে ভারতীয় বিমানবাহিনী। গতকাল সোমবার ভারতীয় পত্রিকা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে এ-সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হয়।
বিএসএফ মহাপরিচালক সুভাষ জোশির বরাত দিয়ে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
জানায়, সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর উদ্দেশ্যে খুব শিগগিরই ড্রোন মোতায়েন করা হবে। খবরে বলা হয়, ভারতীয় বিমানবাহিনী ড্রোন ব্যবহার ও পরিচালনা পদ্ধতির খসড়া চূড়ান্ত করছে। পত্রিকাটি জানায়, ড্রোন সীমান্ত এলাকার ১০ থেকে ১২ হাজার ফুট উচ্চতায় উড্ডয়ন করবে। আকাশসীমা ব্যবহার-সংক্রান্ত সীমাবদ্ধতা থাকায় ভারতীয় বিমান বাহিনীর সহায়তা নেওয়া হবে।
বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন, ‘আমরা শুধু ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্তেই এটি মোতায়েন করব না, বাংলাদেশের সঙ্গে পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তেও ড্রোন মোতায়েন করা হবে।’
ভারতীয় সীমান্তে কেউ অনুপ্রবেশের চেষ্টা করলে বা এ-সংক্রান্ত গতিবিধি চালালে তার চিত্র ড্রোন থেকে ধারণ করা হবে এবং তাৎক্ষণিকভাবে সে সব তথ্য সংশিল্গষ্ট স্থানে জানিয়ে দেওয়া হবে। সুভাষ জোশি বলেন, ‘ড্রোন মোতায়েনের পরিকল্পনা নিয়ে দ্রুত কাজ করা হচ্ছে। শুধু ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্ত নয়, বরং পূর্বাঞ্চলীয় বাংলাদেশ সীমান্তেও ভারতের ড্রোন ব্যবহারের কথা সক্রিয়ভাবে ভাবছে বিএসএফ।’
সীমান্তরক্ষী বাহিনীর তৎপরতা জোরদারে ভারত এরই মধ্যে দূরপাল্লার নজরদারি ও পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা (এলওআরআরওএস), যুদ্ধক্ষেত্রে নজরদারি রাডার (বিএফএসআর) এবং নাইটভিশন ব্যবহার শুরু করেছে। সীমান্তে ড্রোন ব্যবহারের বিষয়ে গত বছর ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে একটি প্রস্তাব দেয় বিএসএফ।
বিএসএফের অন্য এক কর্মকর্তা দাবি করেন, ড্রোন ব্যবহার করা হলে সীমান্তে আরও কার্যকরভাবে নজরদারি সম্ভব হবে। বিএসএফের উচ্চ পর্যায় থেকে দাবি করা হয়েছে, আকাশ থেকে নজরদারির ব্যবস্থা করা হলে তাতে সীমান্তে অপতৎপরতা দমনের পাশাপাশি কোনো পক্ষ যদি অনুপ্রবেশ-সংক্রান্ত গতিবিধির কথা অস্বীকার করতে চায় তারও প্রমাণ তুলে ধরা যাবে।