সুড়ঙ্গের অপর প্রান্তে এখনো অন্ধকার?..এম সাখাওয়াত হোসেন

আগামী জাতীয় নির্বাচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে, নাগরিকদের মনে এই নির্বাচন ঘিরে ততই উৎকণ্ঠা বাড়ছে। উৎকণ্ঠার সঙ্গে জন্ম নিচ্ছে নানা ধরনের সমীকরণ। বাংলাদেশব্যাপী আলোচনা আগামী নির্বাচন ঘিরে বিভিন্ন সমীকরণ। একমাত্র আলোচনার বিষয় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থার কারণে অনেকেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করেন। এবং এমনটা হলে অন্য কোনো শক্তির আগমনের আশঙ্কাও করেন। অনেকেই এই যুক্তির পেছনে এক-এগারোর আগের মতো বিদেশি রাষ্ট্রদূত, যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি স্টেট, জাতিসংঘের মহাসচিবের তৎপরতা, চিঠি চালাচালি ও ফোনালাপ এবং সর্বশেষ সফর শেষে ব্রিটিশ এমপিদের মন্তব্যকে তুলে ধরেন। সফর শেষে ব্রিটিশ এমপিরা বলেছিলেন যে বাংলাদেশে গণতন্ত্র বিঘ্নিত হলে তার দায়দায়িত্ব বর্তাবে রাজনীতিবিদদের ওপর। এসবের আবর্তে আগামী নির্বাচন অনিশ্চয়তার মুখোমুখি রয়েছে।
আমাকে এ ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় অহরহ। আমার কাছে সরাসরি এ প্রশ্নের উত্তর না থাকলেও আমার ব্যক্তিগত বিবেচনা ও বিশ্লেষণে মনে করি, দেশে একটা নির্বাচন হবেই। তবে সেই নির্বাচন একক, না বহু দলের, বিশেষ করে বিরোধী গোষ্ঠীর অংশগ্রহণে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে কি না, তা নিয়ে সংসয় থাকলেও একটি আশাবাদের জায়গা তৈরি হচ্ছে বলে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ থেকে পাওয়া যায়। নির্বাচন ব্যাহত হোক বা নির্বাচন নিয়ে সংঘাত হোক, তেমনটা জনগণ এবং আমাদের দেশের রাজনীতিবিদেরা চাইবেন না। চাইবেন না আমাদের উন্নয়ন-সহযোগী দেশ ও জাতিসংঘ। দুঃখজনক হলেও সত্য যে সুড়ঙ্গের পেছনে যে আলোর আশাজাগানি অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছে, তার পেছনেও রয়েছে বিদেশিদের প্রয়াস। প্রাপ্ত তথ্য ও বিশ্লেষণে মনে হয় যে বিবদমান দুই রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে দূরত্ব অনেকটা কমিয়ে এনেছে বিদেশি প্রচেষ্টা।
এ কথা অনস্বীকার্য যে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ের ওপরে বিদেশি মুরব্বিয়ানার ব্যবস্থা আমরাই করে দিয়েছি। এর সূত্রপাত হয়েছিল ১৯৯৪ সালে তৎকালীন বিরোধী দলের সঙ্গে অন্যান্য দলের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে রাজনৈতিক অচলাবস্থার প্রেক্ষাপটে। ওই সময়ে অনেকটা বর্তমানের সংকটের মতো, সরকার অনড় অবস্থানে থাকায় দাবি আদায়ের প্রেক্ষাপটে বিদেশিদের মধ্যস্থতার বিষয়টির সূত্রপাত হয়। এরপর প্রতি নির্বাচনের আগে এ ধরনের তৎপরতা বা নসিহত আমাদের দেখতে ও শুনতে হচ্ছে। এবারও তার ব্যতিক্রম দেখা যাচ্ছে না। তবে বিদেশি শক্তির বাংলাদেশের পরিস্থিতি, বিশেষ করে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উৎকণ্ঠিত হওয়ার কয়েকটি যৌক্তিক কারণ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান কারণ একটি মুসলিমপ্রধান দেশে গণতন্ত্রের অব্যাহত চর্চা নিশ্চিতকরণ। প্রাচ্যের যে কয়েকটি মুসলিমপ্রধান দেশ রয়েছে, তার মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার তিনটি দেশে, অবশ্য আফগানিস্তান বাদ দিলে, গণতান্ত্রিক সরকার রয়েছে।
পাকিস্তানের মতো সামরিক বাহিনী প্রভাবিত দেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার আরেকটি গণতান্ত্রিক সরকার দ্বারা পরিবর্তিত হয়েছে। দ্বিতীয় কারণটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ, বিশ্বের ব্যর্থ রাষ্ট্র বলে পরিচিত বহু দেশে জাতিসংঘের হয়ে নির্বাচনপূর্ব, নির্বাচনকালীন, নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি এবং গৃহযুদ্ধ-পরবর্তী অবস্থা সামাল দিতে বাংলাদেশের সামরিক-বেসামরিক সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন। কাজেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট সংঘাতে রূপ নিলে তা বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে ম্লান করবে। তৃতীয় কারণটি অভ্যন্তরীণ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয়টির গুরুত্বে। উৎকণ্ঠার জায়গাটি বাংলাদেশে ধর্মীয় জঙ্গিবাদের উত্থানের চেষ্টা নিয়ে। বর্তমান রাজনীতিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে নতুন উত্তেজনার মাত্রা যোগ হওয়ায় এক নতুন মেরুকরণের সম্ভাবনার আশঙ্কা রয়েছে। গণজাগরণ মঞ্চ আর হেফাজতে ইসলামের উত্থান নিয়ে বিতর্কের শেষ হচ্ছে না, বরং এ বিষয়টিও রাজনৈতিক সংকটে নতুন উপাদান হিসেবে যুক্ত হয়েছে। চতুর্থত, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক এই অনিশ্চয়তার মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক অধিকারের প্রশ্নে যে ধরনের উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তার অনেকটা প্রশমিত হলেও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ইস্যুতে বিষয়টি একেবারেই আলোচনার বাইরে রয়েছে তেমন নয়। এখানেও আন্তর্জাতিক চাপ ও ভূমিকার বিষয়টি গৌণ নয়।
আমার মনে হয়, আলোচিত বিষয়গুলোর কারণেই দশম জাতীয় নির্বাচনের আগে যে সংকটময় অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, তা নিরসনে বিদেশি শক্তিগুলো এবং জাতিসংঘ তৎপর হয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশের অতি সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতাও চোখে পড়ার মতো। ইদানীং কয়েকটি ঘটনায় প্রতীয়মান যে এ মুহূর্তে ভারত বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকটে জটিলতা যাতে না বৃদ্ধি পায়, সে বিষয়ে বেশ সজাগ। কিশোরী ফেলানী হত্যার পুনর্বিচার, সীমান্তে ড্রোন ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত থেকে তাৎক্ষণিকভাবে পিছপা হওয়া এবং বিবদমান দুই রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি করে সংকটের সমাধানে আন্তর্জাতিক মহলকে সহযোগিতার প্রচেষ্টায় মনে হয় ভারত আঞ্চলিক নেতৃত্বের বিবেচনায় এগিয়ে থাকতে চাইছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকটের কারণে উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতি ভারতকে তার নিরাপত্তা বিষয়ে উদ্বিগ্ন করবেই।
ওপরের আলোচনা এবং হালের কিছু কিছু রাজনৈতিক বিষয়ের পর্যালোচনায় মনে হয় যে একটি সমাধানের পথে সম্মিলিতভাবে বিদেশি চাপ ক্রমেই বাড়ছে। সুড়ঙ্গের অপর প্রান্তে আলোর রশ্মি কি এসব কারণে ক্রমেই উজ্জ্বলতর হচ্ছে? অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, সংসদ রেখে নির্বাচন হচ্ছে না। তার বহুবিধ কারণের মধ্যে প্রধান কারণ এ কথা সরকারি দলের মধ্যেও আলোচিত যে এই পদ্ধতিতে বাংলাদেশের মতো রাজনৈতিক অনাস্থার পরিবেশে নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ প্রদান করার কাছাকাছি প্রয়াস নেওয়াও সম্ভব নয়; তা নির্বাচন কমিশন যত বড় গলাবাজি করেই ঘোষণা দিক না কেন। অবশ্য নির্বাচন কমিশনের সুপারিশে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের যে পরিবর্তনের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তাতে পঞ্চদশ সংশোধনীর আওতায় নির্বাচনে সমতল ক্ষেত্র তৈরির তেমন কোনো সংযোজন দৃশ্যমান হয়নি। এমনকি একজন কমিশনার স্বীকার করেছেন যে সংসদ রেখে নির্বাচন করা কঠিন কাজ হবে। কাজেই অন্তত এ বিষয়ে অনেকটা নিশ্চিত হওয়া যায় যে সব দলকে অংশগ্রহণ করাতে হলে সংসদ বিলুপ্ত করেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। এমনটা বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের তৎপরতা এবং ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে প্রশ্ন হচ্ছে, এ সিদ্ধান্ত বর্তমান সংসদ অধিবেশনেই নিতে হবে, অন্যথায় পরবর্তী সময়ে পুনরায় সংসদ অধিবেশন ডাকতে হবে। কারণ, সংবিধানের সরলপাঠে মনে হয়, সংশোধনী ছাড়া ২৪ জানুয়ারি ২০১৪ সালের পর নির্বাচন করার উদ্যোগ নিলে শুধু সরকারই নয়, নির্বাচন কমিশনও সাংবিধানিক জটিলতার মুখোমুখি হবে। কাজেই নির্বাচন সময়ের সিদ্ধান্ত নভেম্বর ২০১৩-এর আগেই নিতে হবে। এমনটি না হলে সংবিধান মোতাবেক নির্বাচন কমিশনকে দশম সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই অথবা তার আগেই করতে হবে।
যা হোক, আলোচনা করছিলাম বিদেশি চাপের মুখে আমাদের রাজনীতি এবং আগামী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়টি নিয়ে।
দেশের বেশির ভাগ জনসাধারণ এবং বিদেশি কূটনীতিবিদদের মতামতে এক জায়গায় মিল রয়েছে, সেটা হলো জাতীয় সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন প্রশ্নবোধক হবে এবং সে নির্বাচন একপক্ষীয় হতে পারে, যা দেশে-বিদেশে গ্রহণযোগ্য হবে না। এবং আমি মনে করি, সরকারে অধিষ্ঠিত দল আওয়ামী লীগও সে ধরনের নির্বাচন চাইবে না, যদিও জনমনে এর বিপরীত মতামতও রয়েছে। কাজেই অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিরোধীদলীয় দাবির মাঝামাঝি যে ফর্মুলা আমাদের দেশের অনেক বিজ্ঞজন এমনকি সরকারদলীয় রাজনীতিবিদদের মুখেও উচ্চারিত হচ্ছে, তাতে সমর্থন রয়েছে জাতিসংঘসহ অন্যান্য দেশের। এ বিষয়ে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভীর বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
পার্লামেন্টের সব দলের সদস্যের সমন্বয়ে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন যে ফর্মুলা এখন বেশ জোর পাচ্ছে, তা হলো পার্লামেন্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, এ বিষয়টিতে জাতিসংঘের সায় রয়েছে, তবে যে বিষয়টি দেশের রাজনীতিবিদদেরই নির্ধারণ করতে হবে তা হলো, ওই সরকারের প্রধান কে থাকবেন। বিরোধী দল কোনোভাবেই বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নির্বাচন করতে এখন পর্যন্ত রাজি নয়, তেমনি, দৃশ্যত, সরকারি দলেরও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত স্থান পরিবর্তিত হয়নি, যদিও বিভিন্ন সূত্রের তথ্য বিশ্লেষণে প্রতীয়মান যে এ ধরনের চিন্তাভাবনাও রয়েছে সরকারি দলের মধ্যে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সফরসঙ্গী হিসেবে উচ্চপর্যায়ের দলীয় নীতিনির্ধারকদের দলভুক্ত হওয়ার বিষয়টি রাজনৈতিক তাৎপর্য বহন করে। কাজেই সর্বতোভাবে বিশ্লেষণ করলে প্রতীয়মান হয়, প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে যোগদানের ও অবস্থানের সময় এবং তাঁর দেশে প্রত্যাবর্তনের পরের পরিস্থিতি থেকে আগামী জাতীয় নির্বাচনের পরিবেশের আগাম সংকেত পাওয়া যেতে পারে।
অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকেরা মনে করেন, যদিও এখন পর্যন্ত জাতিসংঘসহ বিদেশি চাপ পরিস্থিতির তেমন কোনো উন্নতি সাধন করতে পারেনি, সে কারণে বিরোধী দলের একটি নীতিনির্ধারক দলের জাতিসংঘে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে না। তবে পর্দার অন্তরালে যৎসামান্য আলোচনাও এখনো আশাবাদ জোগাচ্ছে।
যা হোক, বিদেশি চাপে এখন পর্যন্ত অবস্থার তেমন কোনো পরিবর্তন লক্ষণীয় নয়। তবে আন্তর্জাতিক চাপ কতটুকু বাড়বে বা তা আদৌ কোনো ফল বয়ে আনবে কি না, তা দেখতে হয়তো আমাদের আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। অন্তত প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘে উপস্থিতি এবং ফিরে আসার সময় পর্যন্ত। তবে বিদেশের চাপের চেয়ে আমাদের রাজনীতিবিদদের দেশের আপামর জনসাধারণের উৎকণ্ঠাকে উপলব্ধি করে সমস্যার সমাধান করা উচিত। বর্তমানে দুই বিবদমান গোষ্ঠী যেভাবে একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করছে, সে রকম পরিস্থিতি মোটেই কাম্য নয়। ব্রিটিশ এমপিরা যে মন্তব্য করে গেছেন, সে ধরনের মন্তব্য নতুন নয়। আমাদের দেশের সুশীল সমাজ থেকে প্রতিনিয়ত এ ধরনের আশঙ্কাই করা হচ্ছে। তবে আমাদের সুশীল সমাজের বহু বিশিষ্টজন এসব বক্তব্যের জন্য সমালোচিতও হয়েছেন। কথায় আছে, ‘ঘর কা মুরগি ডাল বরাবর’ (ঘরের মুরগি ডাল সম)।
আমরা মনে করি, বিদেশি ফর্মুলায় নয়, দেশি ফর্মুলাতেই বর্তমান সংকটের নিরসন সম্ভব। অবশ্য যদি উভয় পক্ষই জনগণের মনোভাবকে আমলে নেয়। অন্যথায় আমাদের রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানে বিদেশিরা তাদের মুরব্বিয়ানা দেখাবেই। তারও পরিণতি হতে পারে ভয়াবহ, যার কিছুটা আলামত ২০০৭-০৮ সালে আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। এসবের পরিপ্রেক্ষিতে জনগণের প্রত্যাশা ভেতরের বা বাইরের যে চাপের কারণেই হোক, উভয় পক্ষ কিছু ছাড় দিয়ে হলেও এই সমস্যার সমাধান করুক। আমরা সাধারণ জনগণ মনে করি, এই নির্বাচনের মাধ্যমে এ ধরনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান হোক। প্রতিটি নির্বাচনের আগে আমাদের দেশে এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
এম সাখাওয়াত হোসেন: অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, সাবেক নির্বাচন কমিশনার ও কলাম লেখক।
hhintlbd@yahoo.com