সৈয়দ আশরাফকে সংলাপের দায়িত্ব দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে দলীয় সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে বিরোধী দলের সঙ্গে সংলাপে বসার অনুমতি দিয়েছেন। সরকারের একাধিক নীতিনির্ধারণী ও কূটনৈতিক পর্যায়ে কথা বলে এ খবর জানা গেছে।
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সৈয়দ আশরাফের সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সংলাপ হতে পারে। বিরোধী দল মাস দুয়েক ধরেই সংলাপের কথা বলে আসছে।
সরকারের নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র জানায়, ১১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে বিরোধী দলের সঙ্গে সংলাপের ব্যাপারে তাঁর সম্মতির কথা জানান। ঈদের ছুটির মধ্যে সৈয়দ আশরাফ বিরোধী দলের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলেন বলে জানা গেছে। এ ছাড়া ঢাকায় নিযুক্ত প্রভাবশালী বিদেশি কূটনীতিক-দের সঙ্গেও তাঁর কথাবার্তা হয়। ১৮ অক্টোবর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকার গঠন এবং বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনার যে প্রস্তাব দিয়েছেন, তা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে।
দলীয় সূত্র জানায়, সংলাপের কার্যপদ্ধতি এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে দুই দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের মধ্যে যোগাযোগ হচ্ছে। নেপথ্য আলোচনায় কাছাকাছি আসার পর সৈয়দ আশরাফ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে চিঠি দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংলাপের আমন্ত্রণ জানাবেন।
সূত্র জানায়, উভয় দলের শীর্ষ পর্যায় সফল সংলাপ করতে চায়। আব্দুল জলিল ও আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার সংলাপের মতো ব্যর্থ সংলাপ তারা চায় না। এ কারণেই যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে তারা সংলাপ করতে চায়। তা ছাড়া এবারের সংলাপ শুধু দুজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চান না শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্ব। উভয় নেতা সংলাপে নিজ নিজ দলের তিন সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিতে চান। প্রতিনিধিদল পর্যায়ে আলোচনা করেই তাঁরা মতৈক্যে পৌঁছাতে চান।
জানা গেছে, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংলাপের ব্যাপারে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাঁরা দলীয় সভানেত্রীর সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করছেন।