হাসিনা-মুন বৈঠকে গুরুত্ব পাবে নির্বাচন

জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনসহ বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে নিউ ইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট ও নির্বাচন প্রসঙ্গ বেশ গুরুত্ব পাবে বলে জানা গেছে। তবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও শরিক দলগুলোর নেতাদের ধারণা, এর মধ্য দিয়ে দেশে বিরাজমান সংকটের সুরাহা হবে না। আর অপেক্ষায় থাকলেও নিউ ইয়র্ক থেকে কোনো সমাধান সূত্র আসবে- এমন আশা করছেন না বিরোধী দলের নেতারাও।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সোমবার বিকেলে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে পৌঁছবেন। জাতিসংঘের ৬৮তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে গতকাল রবিবার রাতে তিনি ঢাকা ছাড়েন। প্রধানমন্ত্রী আগামী শুক্রবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন। সফরকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং ও জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের সঙ্গে বৈঠক ছাড়াও বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং বেশ কয়েকটি সেশনে তাঁর বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বিগত বছরগুলোর অধিবেশনে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) সামনে রেখে বাংলাদেশের অর্জনগুলো তুলে ধরা হয়েছে। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। তবে এর পাশাপাশি দেশের উন্নয়ন বিশেষ করে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বিশেষ গুরুত্ব পাবে বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে তাঁর বৈঠকগুলোতে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং এবং জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের কথা রয়েছে। সংলাপের আহ্বান জানিয়ে গত মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধী দলের নেতা খালেদা জিয়াকে টেলিফোন করেছিলেন জাতিসংঘ মহাসচিব। তাই এবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে এ বিষয়টি যে তিনি তুলবেন সেটা ধরেই নেওয়া যায়।
ওই কর্মকর্তা আরো জানান, নির্বাচন নিয়ে বর্তমান সরকারের অবস্থান স্পষ্ট। তারা সংবিধানের বাইরে কিছু করবে না। অন্যদিকে বিরোধী দল সংবিধান সংশোধনের দাবি জানিয়ে এলেও তারা সংসদ অধিবেশনে যাচ্ছে না। সরকার আলোচনার জন্য বরাবরই প্রস্তুত আছে, এ বিষয়টি নিউ ইয়র্ক আলোচনায় তুলে ধরতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রসঙ্গেও আলোচনা হতে পারে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিবের বৈঠকে বিশ্ব সংস্থা ও বিশ্ব শান্তিতে বাংলাদেশের অবদানের প্রসঙ্গ গুরুত্ব পাবে। এ ছাড়া মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ উদার এই দেশে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার বিষয়টিও আলোচিত হতে পারে।
জানা গেছে, বান কি মুনের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী গত কয়েক বছরে তাঁর সরকারের অধীনে স্থানীয় সরকারসহ অন্যান্য নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে করার সাফল্য তুলে ধরবেন। এবার দলীয় সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে সাফল্য পেতে চায় বাংলাদেশ। এ ক্ষেত্রে সরকারের অবস্থান হলো, ফল যাই হোক সরকার তা মেনে নেবে।
অন্যদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় ইস্যুগুলোর মধ্যে স্থলসীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন ও তিস্তা চুক্তি স্বাক্ষর ইস্যু বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, বাংলাদেশ দ্রুত সেগুলোর বাস্তবায়ন প্রত্যাশা করে। এ ছাড়া আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ইস্যুতেও তাঁদের মধ্যে আলোচনা হতে পারে।
জানা গেছে, সফরকালে কাতারের আমির তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী। ওই সাক্ষাতে কাতারের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পর্যালোচনার পাশাপাশি মুসলিম বিশ্ব ইস্যুটিও স্থান পেতে পারে।
এ ছাড়া সৌদি আরব ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি নিজ নিজ দেশে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাসহ অন্য বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকসূচি না থাকলেও তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী যোগ দেবেন। ওই অনুষ্ঠানে বরাবরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ঘুরে ঘুরে সবার সঙ্গে কথা বলেন।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো আরো জানায়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনির সঙ্গে বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির সঙ্গে বৈঠকের ব্যাপারেও আলোচনা চলছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমুর কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগে বৈঠক হোক, তারপর দেখা যাবে। দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ বলেন, বৈঠকে রাজনৈতিক সংকট ইস্যু আসতে পারে। তবে কী হবে জানি না।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ মহাসচিবসহ বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচন প্রসঙ্গ আসতে পারে। তবে এর থেকে কোনো সমাধান আসবে বলে মনে করি না। দেশের সংকট দেশেই সমাধানে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে যোগ দেওয়ার এক ফাঁকে জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুনের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে জেনেছি। তবে ওই বৈঠকে বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে কোনো আলোচনা হবে কি না জানি না। হলে ভালো। গত ২৩ আগস্ট জাতিসংঘের মহাসচিব দুই নেত্রীকে টেলিফোন করে সংলাপের মাধ্যমে একটি সমঝোতায় পৌঁছার তাগিদ দিয়েছেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সেটা রক্ষা করেননি। আবার যদি জাতিসংঘের মহাসচিব উদ্যোগ নেন কোনো সমস্যা নেই। আমরা সব সময় সংলাপ চাই। একটি সমঝোতা চাই। কারণ সমঝোতা না হলে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে না। এখন সরকারের ওপর সব কিছু নির্ভর করছে। তারা গায়ের জোরে নির্বাচন করতে চায়। আর দেশ-বিদেশের সব মানুষ চায় সব দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন। আমরা অপেক্ষা করছি সরকার কী করে তা দেখার জন্য।’
সফরসূচি : কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, আজ বিকেলে প্রধানমন্ত্রী নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে পৌঁছলে তাঁকে সেখান থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে নিউ ইয়র্কের পার্ক এভিনিউয়ে গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে নিয়ে যাওয়া হবে। নিউ ইয়র্ক সফরে প্রধানমন্ত্রী ওই হোটেলেই থাকবেন।
২৩ সেপ্টেম্বর কমনওয়েলথ মহাসচিব কমলেশ শর্মা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর হোটেল স্যুটে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। সেদিন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী ওয়ালড্রফ অ্যাস্টোরিয়া হোটেলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এরপর দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতাবিষয়ক আন্তর্জাতিক কার্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী অংশ নেবেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের ৬৮তম অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং মহাসচিব বান কি মুন আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এরপর তিনি সম্মেলনের ফাঁকে ‘ট্যাকেলিং দ্য আনফিনিশড বিজনেস : অ্যাক্সিলারেটিং এমডিজি প্রগ্রেস’ শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। অনুষ্ঠান শেষে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিব আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজসভায় যোগ দেবেন।
প্রধানমন্ত্রী সেদিনই জাতিসংঘ প্লাজায় কাতারের স্থায়ী মিশনে গিয়ে দেশটির আমির তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। বিকেলে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ট্রাস্টিশিপ কাউন্সিল চেম্বারে মূল বক্তা হিসেবে ‘লিডারস ডায়ালগ : এইচএলপিএফ-ফ্রম ভিশন টু অ্যাকশন’ শীর্ষক বক্তব্য দেবেন। এরপর সৌদি আরব ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাদাভাবে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
২৫ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনের অগ্রগতি বিষয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি আয়োজিত গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নেবেন। এরপর তিনি জাতিসংঘ সদর দপ্তরের ইকোসক চেম্বারের বার্ষিক অনুষ্ঠান ‘গ্লোবাল এডুকেশন ফার্স্ট ইনিশিয়েটিভ’-এ অংশ নেবেন। সেদিন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ হাউসে নৈশভোজে যোগ দেবেন।
২৬ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশের পক্ষে ‘আর্মস ট্রেড ট্রিটি (এটিটি) অ্যান্ড প্রটোকল অন এক্সপোলিভ রেমন্যান্টস অব ওয়ার অব কনভেনশন অন সার্টেইন কেমিক্যাল ওয়েপনস (সিসিডাব্লিউ)’ শীর্ষক চুক্তি স্বাক্ষর করবেন। উল্লেখ্য, এ অঞ্চলের প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ অস্ত্রবিস্তারবিরোধী ওই চুক্তি স্বাক্ষর করছে। ২৬ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণবিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের একটি বৈঠকেও অংশ নেবেন।
প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন। এরপর তিনি বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে সংবাদ সম্মেলন করবেন।
২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নিউ ইয়র্ক প্যালেস হোটেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন। সেদিন বিকেলে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের সঙ্গে বৈঠক এবং হোটেল হিলটনে বাংলাদেশি সম্প্রদায় আয়োজিত কর্মসূচিতে তাঁর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
২৯ সেপ্টেম্বর সকালে তিনি নিউ ইয়র্ক থেকে রওনা হবেন। দুবাই হয়ে পরদিন ৩০ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে তাঁর ঢাকায় পৌঁছার কথা।
সফরসঙ্গী : কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীর সংখ্যা ৯৪। এর মধ্যে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা পর্যায়ের আছেন তিনজন। সংসদ সদস্য আছেন ৯ জন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ১৫ জন, বিশিষ্ট ব্যক্তি ১৮ জন, গণমাধ্যমের বিশিষ্ট ব্যক্তি পাঁচজন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ১০ ও অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও সংস্থার চারজন করে রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে আছে ১৮ সদস্যের নিরাপত্তাদল। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস বিভাগের ৯ জন সংবাদকর্মীও সফরসঙ্গী হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীরা সরকারি খরচে এ সফর করছেন।
এর বাইরে ৪১ সদস্যের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলও নিউ ইয়র্ক সফর করছে। তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হলেও নিজেরাই নিজেদের খরচ মেটাবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরসঙ্গীর সংখ্যা আগেরবারের চেয়ে কিছুটা বেশি। গত বছর প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ছিলেন ৮৭ জন। সরকারের শেষ বছরে সাধারণত এ তালিকা অন্য বছরগুলোর চেয়ে বড় হয়। এ তালিকায় বাড়তি যুক্ত হন রাজনীতিবিদরা। সাধারণত জাতিসংঘ সম্মেলনে তাঁদের কোনো কাজ থাকে না।