2 crore people in Bangladesh have kidney ailment

Prof Zamanul Islam Bhuiyan, Director of National Institute of Kidney Diseases and Urology, says during an exclusive interview with The Guardian in November 2013.

In the conversation, Dr Zaman also gives an overview on the treatment facilities in available in Bangladesh. Mentioning the government established the institute in 1994 considering the situation of inadequate treatment facilities available for patients with kidney and urological diseases, dialysis and transplantation; he said the country has achieved tremendous development in the treatment.

The head of the institute emphatically said the patients need not to go abroad for better treatment now as all modern technologies and facilities are available in Bangladesh.

In the interview, Dr Zamanul Islam Bhuiyan said approximately two crore people in Bangladesh have kidney related complication. But many of them are not aware of the ailment as those are in very primary stage.

Some articles of Prof Zamanul Islam Bhuiyan are given below: 

কিডনীর পাথর ও চিকিৎসা –অধ্যাপক একেএম জামানুল ইসলাম ভূঁইয়া

ভূমিকা ঃ কিডনী, মূত্রনালী মূত্রথলিতে পাথরের ইতিহাস অতি প্রাচীন। আর্কিওলজিষ্টগন ইজিপসিয়াম মমিতে কিডনীর পাথরের অসি-ত্ব পান যা ৭০০ বছরের পুরোনো। প্রাচীনকাল হতে আজ পর্যন- পাথরের চিকিৎসার অভূতপূর্ব উন্নতি সাধিত হয়েছে। মানুষের বিপাকীয় কার্যক্রম গভীরভাবে গবেষনা ও এর সাথে কিডনীর পাথরের যোগসূত্র থাকায় বর্তমানে বিভিন্ন ধাপে পাথরের চিকিৎসা সম্ভব।

পূর্বে কিডনী ও মূত্রনালীর পাথর ওপেন সার্জারীর মাধ্যমে হলেও বর্তমানে অধিকাংশ পাথরই মিনিমাল ইনভেসিভ সার্জারী ESWL, PCNL, URS, ICPL ইত্যাদির মাধ্যমে সম্ভব।

a)  শিল্পোন্নত দেশে পরিনত বয়সে এ হার ১-৫%।

b) বেশী হয় ৩০-৪০ বয়সে।

c) পুর”ষ মহিলাদের তুলনায় ৩ গুন বেশি।

d) প্রসাবের সাথে জীবনকালে একবার পাথর গেলে প্রতি ৩ বছরে ১৫% ও ১৫ বছরে ৩০% পুনরায় পাথর হতে পারে।

কেন হয়?

i) মূত্রের সুপার সেচুরেশন হলে।

ii) পানি শুন্যতা, দীর্ঘদিন শয্যাশায়িত অবস’া।

iii) প্রশ্রাবে ক্যালসিয়াম অক্সালেট এবং ইউরিক এসিডের পরিমান বেড়ে গেল।

iv)  প্রশ্রাবে সাইট্রেট, ম্যাগনেসিয়াম এবং পাইরোফসফেটের পরিমান কম হলে।

মূত্রে বিদ্যমান কিছু রাসায়নিক পদার্থের সমন্বয়ে ক্রিস্টাল গঠিত হয় যা কিডনী পাথর হিসাবে পরিচিত। বেশির ভাগ কিডনী পাথর ক্যালসিয়াম অক্সালেট ক্রিস্টাল দিয়ে গঠিত হয়। ইউরিক এসিড ক্রিস্টাল দ্বারাও কিডনী পাথর গঠিত হতে পারে। পাথরের আকার শষ্য দানা থেকে সুপারির সমান হতে পারে।

Kidney-1

Kidney-2

kidney4

kidney5

কিডনীতে পাথর হবার ক্ষেত্রে নিম্নের নিয়ামকগুলো কাজ করে-

i) কম পানীয় গ্রহন

ii) বার বার মূত্রনালী প্রদাহ

iii) দীর্ঘ সময় কর্মক্ষম না থাকা

iv) ক্যালসিয়াম, ইউরিকএসিড ভিটামিন-ডি অতিরিক্ত গ্রহন

v) হৃ কোন কোন ঔষধ সেবন

vi) কিছু মেটাবলিক রোগ।

পাথর কোথায় হয়?

a) কিডনী

b) মূত্রনালী

c) মূত্রথলী

d) প্রোসটেট গ্ল্যান্ড

উপসর্গ ঃ

i)  ক্ষেত্রেই কোমরের উপরে মের”দন্ডের যে কোন একপাশে, পাজরের নীচে তীব্র ব্যথা।

ii) ব্যথা অনেক ক্ষেত্রে নীচে নেমে কুচঁকির দিকে যেতে পারে।

iii) তীব্র ব্যথা ও সাথে বমি বা বমি বমি ভাব।

iv) কিছু ক্ষেত্রে প্রশ্রাবের সাথে রক্ত যেতে পারে।

v) প্রশ্রাবে জ্বালা পোড়া, বার বার প্রশ্রাবের বেগ।

vi) জ্বর, ঠান্ডা অনুভব করা দুর্বলতা।

কিভাবে কিডনীর পাথর নির্ণয় করা হয় ঃ

1. এক্স-রে, 2. আল্ট্রাসাউন্ড, 3. রক্ত, 4. প্রসাব পরীক্ষা, 5. এক্সিয়াল/স্পাইরাল সিটি স্ক্যান।

চিকিৎসা পদ্ধতি ঃ 1. পাথর জনিত কারনে ব্যথার উপশম।

2. পাথর সম্পূর্ণভাবে অপসারন।

3. পুনরায় পাথর না হওয়ার জন্য উপদেশ।

01. মূত্রনালীতে বা কিডনীর পেলাভিসে পাথর আটকে থেকে প্রচন্ড ব্যথা হতে পারে। ব্যথা নাশক ঔষধ, যেমন কিটোরোলাক, শিরাপথে মরফিন সালফেট, এন্টিমেটিক মেটোপ্লোর প্রামাইড, মাসল রিলাকজেন্ট, নিফিডিপিন, ট্যামসুলেসিন ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।

02. মূলত পাথরের আকার ও অবস’ার উপর চিকিৎসা কৌশল নির্ভর করে। কিডনী, মূত্রথলি ও মূত্রনালীর পাথর অপসারনে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রচলিত অপারেশন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় না। এখন ছোট একটি ছিদ্রের মাধ্যমেই এ চিকিৎসা সম্ভব। পাথর অপসারনের পদ্ধতি সমূহ ঃ ESWL (Extra Corporeal Shockwave Lithotripsy) এ পদ্ধতিতে কিডনী ও Ureter থেকে খুব ছোট পাথর (<২ সে. মি.) বিনা অপারেশনে অপসারন করা হয়। শক্তিশালী শকওয়েড(Shockwave) শরীরের বাইরে থেকে মেশিনের সাহায্যে সুনির্দিষ্টভাবে পাথরের উপর ফেলা হয়। ফলে পাথর ছোট ছোট টুকরায় পরিনত হয় এবং পরবর্তীতে টুকরাগুলো প্রশ্রাবের সাথে বের হয়ে যায়। কোন কোন ক্ষেত্রে পাথর ভাঙ্গার পূর্বে কিডনী থেকে মুত্রথলি পর্যন- একটি নল স’াপন Stenting করার প্রয়োজন হয়। X-ray অথবাUltrasound এর মাধ্যমে সুনির্দিষ্টভাবে পাথর চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় মাত্রার ঝযড়পশধিাব নির্দিষ্টকরন এই পদ্ধতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ঊঝডখ করার পর রোগীকে ঙনংবৎাধঃরড়হ এ রাখা হয়। এ সময় প্রশ্রাবের রং সামান্য লাল ও প্রশ্রাবে সামান্য জ্বালা ও ব্যথা হতে পারে।

03. PCNL (Percutaneous Nephrolithotomy) : পাথরের আকার এবং অবস’ানের কারনে যখন ESWL পদ্ধতি প্রয়োগ করা সম্ভব হয় না তখন PCNL পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এই পদ্ধতিতে ছোট একটি ছিদ্র করে কিডনী বরাবর একটি সরুপথ তৈরী করা হয়। এই পথে Nephroscope এর মাধ্যমে পাথরের অবস’ান জেনে শরীর থেকে বের করে ফেলা হয় এবং Nephrostomy Tube কিডনীতে রেখে শুশ্রুষা চলতে থাকে। এ ক্ষেত্রে রোগীকে হাসপাতালে অল্প কয়েকদিন অবস’ান করতে হয়।

04. URS and ICPL (ইউটেরসকপিক পদ্ধতিতে পাথর দূরীকরন) ঃ মূত্রনালী নীচের দিকে অবসি’ত পাথর অপসারনের জন্যURS and ICPL পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। সার্জন এই পদ্ধতিতে একটি ছোট ফাইবার অপটিক যন্ত্র (Ureterescope) মূত্র পথ দিয়ে মূত্রথলি হয়ে মূত্রনালীতে প্রবেশ করিয়ে পাথরকে গুড়ো করে বের করে। এজন্য রোগীকে ১ দিন হাসপাতালে অবস’ান করতে হয়।

05. Lithotrites এ যন্ত্রের মাধ্যমে মূত্রথলির পাথর সরাসরি দেখার মাধ্যমে মেকানিক্যালি চুর্ন করা হয় এবং চুর্নকৃত পাথর পরে মূত্রপথ দিয়ে বের হয়ে আসে।

06.  Laparoscopic Technique কিছু কিছু ক্ষেত্রে মূত্রনালীর বড় পাথর এর ক্ষেত্র বিশেষে কিডনীর পাথর Laparoscopic পদ্ধতিতে কয়েকটি ছোট ছিদ্র করে ছিদ্র পথেই তা বের করে আনা হয়।

এ পদ্ধতির সুবিধাসমূহ ঃ

1. রোগীকে হাসপাতালে ২/১ দিন অবস’ান করতে হবে।

2. কোন ধরনের কাঁটা/ছেড়াঁ প্রেয়োজন নাই।

3. পোষ্ট অপারেটিভ জটিলতা খুবই সামান্য।

4. খুব তাড়াতাড়ি কাজে ফিরতে পারে।

5. অর্থ ও সময় দুটোই সাশ্রয় হয়।

যেহেতু কিডনী পাথর একটি জটিল মাল্টিফ্যাকটোরিয়াল রোগ, সুতারাং পাথর অপসারন করলেই পুনরায় পাথর হবে না এমন নিশ্চয়তা নাই। পাথর অপসারনের পর সাধারনত কিছু সাধারন এবং কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়মনীতি মেনে চলতে বলা হয়।

a) প্রতিদিন ৩/৪ লিটার পানি পান করা।

b) ক্যাসিয়াম ও অক্সালেট সমৃদ্ধ খাবার কম খাওয়া।

c) পাথরের Chemical Analysis করে নির্দিষ্ট প্রকৃতির পাথরের জন্য সুনিদির্ষ্ট ব্যবস’া গ্রহণ করা। যেমন- Renal Hypercalciuria হলে Thiazide Diureics.

d) Uric Acid পাথর হলে – পর্যাপ্ত পানি, Urine Alkalinization, Allopurinol জাতীয় ঔষধ।

e) Strvite Stone হলেUrease Inhabitor, Acctohychroxamic Acid অপরফ ব্যবহার করতে হবে Urine Pকমানোর জন্য।