Kurmitola General Hospital open for every citizen

In an exclusive interview with The Guardian, Brigadier General AKM Nasir Uddin, director of Kurmitola GeneralHospital, highlighted the features and services of the hospital.

He said the standard of the hospital could be compared to any ones built in private initiative.

Brig Gen AKM Nasir Uddin, director of Kurmitola General Hospital, gives an exclusive interview to The Guardian on November 16, 2013. Photo: The Guardian

Brig Gen AKM Nasir Uddin, director of Kurmitola General Hospital, gives an exclusive interview to The Guardian on November 16, 2013. Photo: The Guardian

People queue for tickets for outdoor service at the Kurmitola General Hospital on November 16, 2013. Photo: The Guardian

People queue for tickets for outdoor service at the Kurmitola General Hospital on November 16, 2013. Photo: The Guardian

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল

KGH logo

এই হাসপাতালের সড়্গমতা ও সেবার পরিধি সম্পর্কে সংড়্গিপ্ত আকারে নিম্নে আলোকপাত করা হলো :
ঢাকা মেগাসিটির উত্তরাঞ্চলের মহাখালী এলাকা হতে শুরম্ন করে খিলড়্গেত, নিকুঞ্জ, উত্তরা, গাজীপুর, সাভার ইত্যাদি এলাকার আপামর জনসাধারনের উন্নততর চিকিৎসার জন্য ঢাকা সেনানিবাস এলাকায় স্বাস’্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মিলিটারী ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসেস ( এমইএস) এর সার্বিক তত্তাবধানে এই হাসপাতালটি নির্মিত হয়েছে।
সরকারী পর্যায়ে এই হাসপাতালটি গত ১৩ মে ২০১২ ইং তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুভ উদ্বোধন করেন এবং গত ১০ নভেম্বর ২০১২ তারিখ হতে সংযুক্ত কিছু সংখ্যক সেনাবাহিনীর মেডিকেল কোরের কর্মকর্তা, বেসামরিক চিকিৎসক, সেনা প্যারামেডিকস ও ৪র্থ শ্রেনী পর্যায়ের আউটসোর্সড কর্মচারীদের দিয়ে এর বহিঃবিভাগ রোগী সেবা কার্যক্রম শুরম্ন করা হয়। পর্যায়ক্রমে হাসপাতালে জরম্নরী, অনত্মঃবিভাগ ও শল্য চিকিৎসার কার্যক্রম শুরম্ন করা হয়।
হাসপাতালের লড়্গ্য ও উদ্দেশ্য ঃ
এই হাসপাতালের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে জনসাধারনের উন্নততর চিকিৎসা সেবা প্রদান করা। বিশেষতঃ ঢাকা মেগাসিটির উত্তরাঞ্চলের ব্যাপক জনগোষ্ঠীর আধুনিক ও উন্নততর চিকিৎসা প্রদান।
ক। অত্র অঞ্চলের সড়ক দূর্ঘটনাসহ অন্যান্য গুরম্নতর রোগীর জরম্নরী ও জীবন রড়্গাকারী চিকিৎসা প্রদান করা।
খ। আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের শিড়্গন হাসপাতাল (ঞবধপযরহম ঐড়ংঢ়রঃধষ) হিসেবে কাজ করা।
গ। আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের ইন্টার্নী চিকিৎকদের কর্মকালীন প্রশিড়্গন (ঙহ ঃযব লড়ন ঃৎধরহরহম) এবং ছাত্রছাত্রীদের ব্যবহারিক প্রশিড়্গন প্রদান করা।
ঘ। বেকার চিকিৎসক, নার্স, প্যারামেডিকস সহ অন্যান্য সহায়ক কর্মচারীদের কর্মসংস’ানের সুযোগ সৃষ্টি করা।
ঙ। আধুনিক বর্জ্য ব্যবস’াপনার মাধ্যমে পরিবেশ দূষনমূক্ত হাসপাতাল হিসেবে পরিচালিত হওয়া।
হাসপাতালের সড়্গমতা ও বিদ্যমান সুবিধাদী ঃ
ক। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালটি ০২ টি বেজমেন্টসহ ১২ তলা ভবন যার শয্যা সংখ্যা ৫০০ টি। হাসপাতালটিতে ১৫ টি আধুনিক অপারেশন থিয়েটার বিশিষ্ট একটি স্বতন্ত্র অপারেশন থিয়েটার কমপেস্নক্স, ৫২ শয্যা বিশিষ্ট আইসিইউ, ৭২ শয্যাবিশিষ্ট পোষ্ট অপারেটিভ, ২৮ শয্যাবিশিষ্ট সিসিইউ , ০৬ টি ভিআইপি কেবিনসহ ৬০ টি উন্নতমানের কেবিন রয়েছে।
খ। এই হাসপাতালে একটি অত্যাধুনিক স্বতন্ত্র বার্ন এন্ড ট্রমা ও ক্যাজুয়ালটি সেন্টার রয়েছে যেখানে ৩ টি অপারেশন থিয়েটার, ৩ শয্যাবিশিষ্ট আইসিইউ, ১০ শয্যাবিশিষ্ট পোষ্ট অপারেটিভ এবং ১৭ শয্যাবিশিষ্ট এইচডিইউ ইউনিট রয়েছে যার মাধ্যমে মূমুর্ষ রোগীদের দ্রম্নততার সাথে একই স’ানে প্রয়োজনীয় সকল প্রকার উন্নততর চিকিৎসা প্রদান সম্ভব হবে। বাংলাদেশে সম্ভবত সরকারী পর্যায়ে এটিই এ ধরনের চিকিৎসা কেন্দ্র।
গ। বহিঃবিভাগ ও অনত্মঃবিভাগে মেডিসিন, সার্জারী, অর্থোপেডিক সার্জারী, শিশু, গাইনী এন্ড অবস, চড়্গু, নাক কান গলা, চর্ম ও যৌন, মানসিক রোগ, ডেন্টাল, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী ডিপার্টমেন্ট রয়েছে। ভবিষ্যতে নেফ্রোলজী, নিউরো মেডিসিন, নিউরো সার্জারী বিভাগসহ চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখাও খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এখানে রোগ নির্ণয়ের জন্য বিভিন্ন প্রকার প্যাথলজীক্যাল টেষ্ট, ইসিজি, এক্সরে, আল্ট্রাসনোগ্রাম, এন্ডোস্কোপী সহ আরো কিছু কিছু পরীড়্গা নিরীড়্গা সরকার নির্ধারিত মূল্যে সম্পন্ন করা হচ্ছে। বর্তমানে সিটিস্ক্যান মেশিন স’াপন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং খুব শীঘ্রই এমআরআই, ইকোকার্ডিওগ্রাম, ইটিটি, এনজিওগ্রামসহ নানাবিধ উন্নততর রোগ নির্নয়ের যন্ত্রপাতিসমূহ নিকট ভবিষ্যতে সংযোজন করা হবে।
ঘ। এ হাসপাতালে রোগীদের ব্যবহারের জন্য ১২ টি লিফট রয়েছে। মডার্ন লন্ড্রী ও কুক হাউজের ব্যবস’া থাকায় রোগীদেরকে স্বাস’্য সম্মত খাবার পরিবেশন ও বস্ত্রাদী সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এখানে ২০০০ কেভিএ ড়্গমতা সম্পন্ন নিজস্ব জেনারেটর, ১ লড়্গ গ্যালন পানি ধারন ড়্গমতাসম্পন্ন রিজার্ভ ট্যাংক ও ডিপ টিউবওয়েল, প্রয়োজনীয় স’ানসমূহে কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রন ব্যবস’া, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস’াপনা ইত্যাদি আধুনিক ব্যবস’া রয়েছে।
ঙ। ১৫০ জন ইন্টার্নী চিকিৎসকদের জন্য ৬ তলা বিশিষ্ট দুইটি আলাদা ভবন (পুরম্নষ ও মহিলা) এবং ২০০ জন ছাত্রী সেবিকাদের অবস’ানের জন্য ৬ তলা বিশিষ্ট একটি ভবন রয়েছে।
চ। বেজমেন্টে রেডিওলজী ও লিনিয়ার এক্সিলিরেটর বিভাগ, টেলিফোন এক্সচেঞ্জ, মরচুয়ারী, সেন্ট্রাল মেডিকেল গ্যাস সিস্টেম সহ একত্রে প্রায় ২০০ যানবাহন রাখার আধুনিক ব্যবস’া রয়েছে।
ছ। প্রতি ফ্লোরে আধুনিক অগ্নিনির্বাপন ব্যবস’াও রাখা হয়েছে।
জ। ব্যাংকিং ব্যবস’া, ক্যাফেটারিয়া, ফার্মেসী ইত্যাদি সহায়ক প্রতিষ্ঠান স’াপনের ব্যবস’া রাখা হয়েছে।
ঝ। অন্যান্য সকল সরকারী হাসপাতালের ন্যায় নিম্নেবর্ণিত সুবিধাদী রয়েছে ঃ
বহিঃ বিভাগ- সরকার নির্ধারিত ১০/- টাকার টিকেটে সকল গুরম্নত্বপূর্ন বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে সেবা প্রদান (শুক্রবার ও ছুটির দিন ব্যতীত) করা হয়।
অনত্মঃ বিভাগ– সরকার নির্ধারিত ১৫/- টাকা দিয়ে পুরম্নষ, মহিলা ও শিশু রোগীদের ভর্তি রেখে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
শল্য চিকিৎসা (অপারেশন)- সীমিত আকারে বিনামূল্যে (নন-পেয়িং বেড) বিভিন্ন রোগের শল্য চিকিৎসা (অপারেশন) প্রদান করা হয়।
রোগীর পথ্য (খাবার)- ভর্তিকৃত সকল রোগীদের বিনামূল্যে সরকার নির্ধারিত বাজেটে উন্নতমানের খাবার প্রদান করা হয়।
ঔষধ- জরম্নরী, বহিঃ বিভাগ ও অনত্মঃ বিভাগের রোগীদের বিনামূল্যে সম্ভাব্য সকল প্রকার ঔষধ প্রদান করা হয়।
জরম্নরী বিভাগ- ২৪ ঘন্টা খোলা থাকে। এখানে বিনামূল্যে সকল রোগীদের চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
পরীড়্গা নিরীড়্গা- প্যাথলজী টেস্ট, এক্স-রে, আল্ট্রাসনোগ্রাম, ইসিজি, এন্ডোস্কপি ইত্যাদি পরীড়্গা সরকার নির্ধারিত মূল্যে সম্পন্ন করা হয়।

জনবল ও প্রশাসনিক ব্যবস’াপনা ঃ
ক। হাসপাতালটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেডিকেল কোরের কর্মকর্তাদের দ্বারা পরিচালিত। ভবিষ্যতে কিছু সংখ্যক বেসামরিক প্রশাসনিক কর্মকর্তা যোগদান করবেন।
খ। এই হাসপাতালটি আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের হাসপাতাল হিসেবে অধিভূক্ত।
গ। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালটি ঢাকা সেনাবিাসের ৬ একর এলাকায় আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজের উত্তর পূর্ব পার্শ্বে অবসি’ত।
ঘ। হাসপাতালটিতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন, কর্নেল মোঃ জালাল উদ্দিন ও লেঃ কর্নেল শেখ শহীদুল ইসলাম যথাক্রমে পরিচালক, উপ পরিচালক এবং সহকারী পরিচালক হিসেবে গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০১২, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১২ এবং ২০ ডিসেম্বর ২০১২ তারিখে যোগদান করেন। বর্তমানে অত্র হাসপাতালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেডিকেল কোরের ৩ জন কর্মকর্তা, ২৯ জন বিভিন্ন বিষয়ের জুনিয়র কনসালটেন্ট, ৪৯ জন মেডিকেল অফিসার, ১ জন ওয়ার্ড মাষ্টার (সেনাবাহিনী), ৬৯ জন নার্স, ৪৩ জন প্যারামেডিকস সহ ৩য় ও ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারী (১৪ জন সামরিক প্যারামেডিকস সহ) এবং ৫৫ জন আউটসোর্সড কর্মচারী সহ সর্বমোট ২৪৯ জন কর্মরত রয়েছেন। ৬৯ নার্সের মধ্যে ৬৩ জন নার্স গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে এবং ৩০ জন ৪র্থ শ্রেনী পর্যায়ের আউসোর্সড জনবল ২৬ আগষ্ট ২০১৩ তারিখে যোগদান করায় হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম গতিশীলতা লাভ করে।
ঙ। এই হাসপাতালে মোট ৯৬৬ জন জনবল প্রাধিকৃত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ম ধাপে ৩৯৬ জন জনবল অনুমোদন প্রাপ্ত হয়েছে। যার মধ্যে ০৪ জন সেনা কর্মকর্তা বাকী ৩৯২ জন স্বাস’্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণলয়ের অধীনস’ বেসামরিক কর্মকর্তা কর্মচারী।
চ। ২৬ জুন ২০১৩ তারিখে অত্র হাসপাতালের নন-ক্যাডার ভিত্তিক ২২৩ জন জনবলের প্রাধিকার রাজস্ব খাতের আওতাভূক্ত হয় এবং ৭৩ জন ক্যাডারভিত্তিক জনবল গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে রাজস্বখাতে সরকারী মঞ্জুরী প্রাপ্ত হয়।
ছ। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল গত ১৬ জুন ২০১৩ তারিখে স্বাস’্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় হতে প্রশাসনিক অনুমোদন প্রাপ্ত হয়।
জ। গত ০৭ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে অত্র হাসপাতালের ২০১৩-১৪ অর্থ বৎসরের রাজস্ব বাজেটের আওতাভূক্ত হয়।
ঝ। হাসপাতালটি পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সমূদয় বাজেট স্বাস’্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় হতে প্রাপ্ত।
ঞ। এই হাসপাতালে স্বাস’্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক সর্বোচ্চ পদের চিকিৎসক হিসেবে জুনিয়র কনসালটেন্ট প্রাধিকৃত করা হয়েছে।
ট। অন্যান্য মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ন্যায় এই হাসপাতালে আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজে কর্মরত অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক এবং সহযোগী অধ্যাপকগন রোগীদের জটিল এবং উন্নততর চিকিৎসা প্রদান, ইন্টার্নীদের অন জব ট্রেনিং এবং ছাত্রছাত্রীদের ব্যবহারিক প্রশিড়্গনের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রাধিকৃত রয়েছেন।

হাসপাতালের বর্তমান কার্যক্রম ঃ
ক। ১ম ধাপে প্রাধিকৃত ৩৯৬ জন জনবলের বিপরীতে ১৬০ শয্যার সুবিধা দিয়ে অনত্মঃ বিভাগের কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। যা পর্যায়ক্রমে জনবল বৃদ্ধি সাপেড়্গে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে।
খ। গত ১০ নভেম্বর ২০১২ তারিখে বহিঃ বিভাগ চালুর পর বর্তমানে গড়ে ৭০০-৮০০ রোগী প্রতিদিন বহিঃ বিভাগে চিকিৎসা সেবা গ্রহন করছেন।
গ। হাসপাতালে পুরম্নষ, মহিলা ও শিশু ওয়ার্ডে গড়ে ৫০-৬০ জন রোগী ভর্তি থেকে চিকিৎসা গ্রহন করছেন।
ঘ। হাসপাতালটিতে বিভিন্ন ধরনের শল্য চিকিৎসা (অপারেশন) কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
ঙ। অত্র হাসপাতালে নিয়মিত শিশুদের ইপিআই টিকা ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম চালু রয়েছে।

গুরম্নত্বপূর্ন জাতীয় ও আনত্মর্জাতিক পর্যায়ের শিড়্গা ও চিকিৎসা সেবার দয়িত্ব ঃ
ক। জড়ুধষ ঈড়ষষবমব ড়ভ ঝঁৎমবড়হং ড়ভ ঊহমষধহফ কর্তৃক গজঈঝ পরীড়্গার বাংলাদেশ কেন্দ্র হিসেবে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব প্রাপ্ত হওয়া।
খ। হযরত শাহজালাল আনত্মর্জাতিক বিমানবন্দরের দূর্যোগকালীন চিকিৎসা কেন্দ্র হিসেবে দায়িত্ব পালন।
গ। আনত্মঃদেশীয় সংক্রামক ব্যাধি (ঈড়সসঁহরপধনষব ফরফবধংব) যথা-এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা, সার্চ, মার্স ইত্যাদি রোগে আক্রানত্ম/আক্রানত্ম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এ ধরনের রোগীদের ছঁধৎরহঃরহব – এ রেখে রোগের বিসত্মার রোধ / প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করা।
ঘ। ২০০ ছাত্রীদের ডিপেস্নামা/ বিএসসি নার্সিং কোর্স পরিচালনা করা।
ঙ। সম্মানিত হজ্ব যাত্রীদের প্রয়োজনীয় মেডিকেল চেকআপ এবং ভেক্‌শিনেশন করা।
চ। দেশের প্রথম এৎববহ ঐড়ংঢ়রঃধষ হিসেবে হাসপাতাল পরিচালনা করা।

দেশের উন্নততর চিকিৎসা বঞ্চিত বিশাল জনগোষ্ঠির একাংশের স্বাস’্যসম্মত পরিবেশে উৎকর্ষতর প্রশাসনিক ব্যবস’াপনায় আধুনিক চিকিৎসা প্রদান নিশ্চিতকল্পে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালের লড়্গ্য বাসত্মবায়নে আপনাদের সৎ ও বলিষ্ঠ প্রচেষ্টা আমাদের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও উৎসাহিত করবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।